সাউন্ড গ্যাজেট হিসেবে কেউ পছন্দ করেন ইয়ারবাডস, কেউবা হেডফোন কেউ আবার ইয়ারফোন।
সাউন্ড গ্যাজেট হিসেবে কেউ পছন্দ করেন ইয়ারবাডস, কেউবা হেডফোন কেউ আবার ইয়ারফোন। তবে অফিস বা যেকোনো কাজে হেডফোন প্রাধান্য পেতে পারে। গ্যাজেটটির ক্ষেত্রে প্রধান দুটি বিষয় বিবেচনায় নিতে হয়, তা হলো আরামদায়ক কিনা এবং সাউন্ড কোয়ালিটি কেমন। মেকইউজঅবের প্রতিবেদনে হেডফোন কেনার আগে ছয়টি বিষয় বিবেচনায় নেয়ার পরামর্শ দেয়া হয়েছে—
সাউন্ড কোয়ালিটি ও ফ্রিকোয়েন্সি
হেডফোনে সবচেয়ে লক্ষণীয় বিষয় সাউন্ড কোয়ালিটি। পাশাপাশি ফ্রিকোয়েন্সি রেঞ্জ। মানুষের কান ২০ থেকে ২০ হাজার হার্টজ ফ্রিকোয়েন্সির শব্দ শুনতে পারে। কম ফ্রিকোয়েন্সির মাধ্যমে বেজ সাউন্ড, মধ্যম ফ্রিকোয়েন্সিতে কণ্ঠ ও বাদ্যযন্ত্র এবং উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সির মাধ্যমে সাউন্ডে ক্লিয়ারিটি ও শার্পনেস বজায় থাকে। এজন্য নিজের কোন ধরনের সাউন্ড পছন্দ তা ঠিক করে সাউন্ড কোয়ালিটি ও ফ্রিকোয়েন্সি যাচাই করে হেডফোন কেনা যেতে পারে।
আরাম ও ফিট

গেম খেলা থেকে শুরু করে অফিসের কাজে দীর্ঘ সময় হেডফোন ব্যবহারের প্রয়োজন হতে পারে। এক্ষেত্রে আরামদায়ক ও মাথায় ঠিকভাবে এঁটে না থাকলে কানসহ মাথাব্যথা করতে পারে। তাই হেডফোনটি আরামদায়ক ও মাথায় ঠিকঠাক পরা যাচ্ছে কিনা তা কেনার আগে পরীক্ষা করা জরুরি। হেডফোনে নরম মেমোরি ফোম থাকলে তা বেশ আরামদায়ক হয়। তাছাড়া দৈর্ঘ্য কমানো বা বাড়ানোর সুযোগ থাকে। এসব বিষয়ও যাচাই করতে হবে।
নয়েজ ক্যানসেলেশন
ফিচারটির মাধ্যমে বাইরের যেকোনো শব্দ কানে আসতে দেয় না। এতে শুধু হেডফোনের সাউন্ডে মনোযোগ ধরে রাখা যায়। দাম ভেদে নয়েজ ক্যানসেলেশনের মাত্রা ভিন্ন। কিছু রয়েছে যেগুলো শব্দের তীব্রতা কমায়। কিছু আছে মোটামুটি বাইরের শব্দ পুরোপুরি বন্ধ করতে পারে। তবে বাইরে চলাচল বা গাড়ি চালানোর সময় নয়েজ ক্যানসেলেশন ব্যবহার বিপদ ডেকে আনতে পারে।
কন্ট্রোল বাটন
বর্তমানে হেডফোনগুলোয় টাচ কন্ট্রোল সুবিধা থাকে। পাশাপাশি কিছু বাটনও দেয়া থাকে। সাধারণত ভলিউম কমানো ও বাড়ানো এবং মিউজিক অন-অফের বাটন থাকে। এর সঙ্গে অতিরিক্ত কাজের জন্যও বাটন থাকতে পারে। আবার টাচ কন্ট্রোলেও থাকে নানা অপশন। তাই বাটন ও টাচ কন্ট্রোল দেখে নেয়া জরুরি।
মাইক্রোফোন
গেমিং ও মিটিংয়ের সময় অন্যের সঙ্গে কথা বলতে হয়। মাইক্রোফোন কোয়ালিটি ভালো না হলে এক্ষেত্রে বিড়ম্বনায় পড়তে হতে পারে। অনেক সময় সাউন্ড কোয়ালিটি ভালো হলেও মাইক্রোফোনের কোয়ালিটি তুলনামূলক ভালো হয় না। প্রয়োজন অনুসারে তা দেখে নেয়া জরুরি।
কানেকশন
তারযুক্ত ও তারহীন দুই ধরনের হেডফোন হয়ে থাকে। বর্তমানে তারহীন হেডফোন পছন্দের তালিকায় শীর্ষে। এক্ষেত্রে ব্যাকআপ একটি বড় বিষয়। যারা ঘরে বা অফিসে নির্দিষ্ট কাজ করেন তাদের জন্য তারযুক্ত হেডফোন যথেষ্ট হতে পারে। অন্যদিকে গান শোনা ও বেশি নড়াচড়া করতে হয় এমন কাজে তারহীন উপযুক্ত। পাশাপাশি মাইক্রোফোন আলাদাভাবে খোলা ও লাগানোর সুযোগও থাকে। এসব বিষয় যাচাই করে নেয়া যেতে পারে।


















