শাড়ি কেলেঙ্কারি মামলায় আজ বৃহস্পতিবার আদালত প্রাঙ্গণে দাঁড়িয়ে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করলেন অভিনেত্রী তানজিন তিশা। ২৭ থেকে ২৮ হাজার টাকার একটি শাড়ি নিয়ে তার বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ ওঠাকে ‘দুঃখজনক’ উল্লেখ করে তিশা দাবি করেছেন, শাড়িটি তাকে উপহার হিসেবে দেওয়া হয়েছিল এবং প্রচারণার যে প্রতিশ্রুতি ছিল, সেটিও তিনি পালন করেছেন।
আজ সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত প্রাঙ্গণে পৌঁছান তানজিন তিশা। কিছু সময় নিজের গাড়িতে অপেক্ষা করার পর তিনি আদালতের এজলাসে ওঠেন। তার আদালতে উপস্থিতিকে কেন্দ্র করে প্রাঙ্গণে বিপুলসংখ্যক গণমাধ্যমকর্মীর উপস্থিতি দেখা যায়। সকাল ১১টা ২৫ মিনিটের দিকে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানার আদালতে মামলাটির শুনানি শুরু হয়। শুনানি শেষে আদালত অভিনেত্রী তানজিন তিশার জামিন মঞ্জুর করেন।
এরপর আদালত প্রাঙ্গণে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন তিশা। নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগকে তিনি প্রশ্নবিদ্ধ বলে দাবি করেন। সকাল ১১টা ৪৮ মিনিটের দিকে আদালত প্রাঙ্গণ ত্যাগ করেন তিনি। শুনানি শেষে তানজিন তিশা সাংবাদিকদের বলেন, দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তার বিরুদ্ধে ২৭ হাজার টাকার একটি শাড়ি আত্মসাৎ বা প্রতারণার অভিযোগ ওঠায় তিনি ব্যথিত।
তিনি দাবি করেন, তার ১৫ বছরের ক্যারিয়ারে এ ধরনের অভিযোগ অত্যন্ত দুঃখজনক। তার ভাষ্য, মামলার বাদীকে তিনি ব্যক্তিগতভাবে চেনেন না। তবে বিলকিস ওয়াজি ঝিনুক নামে একজন আইনজীবী নিজেকে তার ভক্ত হিসেবে পরিচয় দিয়ে যোগাযোগ করেছিলেন বলে জানান তিনি। তিশার দাবি, সম্মানের খাতিরে কোনো পারিশ্রমিক ছাড়াই শাড়িটি পরে ছবি দেওয়ার কথা হয়েছিল। তিনি শাড়িটি পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি স্টোরিও দিয়েছিলেন এবং সংশ্লিষ্ট পেজকে সেখানে উল্লেখ করেছিলেন।
শাড়ির মূল্য পরিশোধের অভিযোগের বিষয়ে তানজিন তিশার অবস্থান আগের মতোই। তিনি দাবি করেন, শাড়িটি তিনি কিনেননি; বরং সংশ্লিষ্ট ফ্যাশন পেজের পক্ষ থেকে তাকে উপহার হিসেবে দেওয়া হয়েছিল। তিশার আইনজীবী মো. নিহার হোসেন ফারুক বলেন, শুরুতে তিশা শাড়িটি কেনার আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন এবং দামও জানতে চেয়েছিলেন। পরে সংশ্লিষ্ট পক্ষই তাকে শাড়িটি উপহার হিসেবে দেওয়ার প্রস্তাব দেয়।



















