পাকিস্তানে গত তিন মাসে ৩০ শতাংশের বেশি কমেছে ইন্টারনেটের স্পিড। অনেক অঞ্চলে নেই সংযোগও।এতে করে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়ছে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, গত মাসে ইসলামাবাদে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে হাজার হাজার মানুষ মিছিলে বের হয়। সেই বিক্ষোভ দমাতেও ইন্টারনেট বিচ্ছিন্ন করার অভিযোগ রয়েছে। এরকম একাধিক রাজনৈতিক উত্তেজনায় ইন্টারনেট বন্ধ করার নজির রয়েছে দেশটিতে।
চলতি বছর ফেব্রুয়ারিতে পাকিস্তানের পার্লামেন্ট নির্বাচনের পর যুক্তরাষ্ট্র ইন্টারনেট বন্ধের নিন্দা করেছে। সেই নির্বাচনে পিটিআই তার “ব্যাট” প্রতীক ছাড়া নির্বাচনে দাঁড়ায় এবং সর্বাধিক আসন জিতে।
ইন্টারনেটের উপর নির্ভরশীল ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, সরকার সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলি নিরীক্ষণ ও নিয়ন্ত্রিত করার জন্য ব্যবহার সীমিত করে দিয়েছে। এ কারণে পাকিস্তান কয়েক মিলিয়ন ডলার রাজস্বও হারাতে পারে।
একজন শিক্ষার্থী বলেন, ‘আমি অনলাইন ক্লাস নিতে পারছি না কারণ জুম আটকে যাচ্ছে এবং আমি বুঝতে পারছি না আমার শিক্ষক কী বলছেন।

আরেকজন ফ্রিল্যান্স ভিডিও এডিটর বলেন, ‘তিন মাস আগের তুলনায়, এমনকি সাধারণ জিনিসগুলি যেমন হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে একটি অডিও বার্তা পাঠাতে বা একটি ছবি বা একটি পিডিএফ ডাউনলোড করতে পাঁচ গুণ সময় নেয়।’
যুক্তরাজ্যভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালও পাকিস্তানকে ইন্টারনেট ব্যাঘাতের বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।


















