দীর্ঘ ১২ বছর বন্ধ থাকার পর সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কে আবারও কার্যক্রম শুরু করেছে তুরস্কের দূতাবাস। শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) আনুষ্ঠানিকভাবে দূতাবাসে তুরস্কের পতাকা উত্তোলন করা হয়।
দূতাবাস পুনরায় চালুর প্রক্রিয়া
২০১২ সালে বন্ধ হয়ে যাওয়া এই দূতাবাস পুনরায় চালু করতে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান ভারপ্রাপ্ত চার্জ ডি’অ্যাফেয়ার্স হিসেবে বুরহান কোরোগলুকে নিয়োগ দেন। আনাদোলুর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দূতাবাসটি দামেস্কের রাওদা স্কোয়ারের কাছে এমন একটি এলাকায় অবস্থিত, যেখানে বিভিন্ন দেশের কূটনৈতিক মিশন রয়েছে।
বিগত ইতিহাস
২০১১ সালে সিরিয়ায় বাশার আসাদ সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ শুরু হওয়ার পর শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকারীদের ওপর সহিংস দমন-পীড়নের প্রতিবাদে ২০১২ সালের ২৬ মার্চ তুরস্ক তাদের দূতাবাসের কার্যক্রম স্থগিত করে। তখন দূতাবাসের কর্মীরা ও তাদের পরিবার তুরস্কে ফিরে গিয়েছিল।
তুর্কি সরকারের প্রতিক্রিয়া
তুরস্কের ভাইস প্রেসিডেন্ট সেভদেত ইলমাজ বলেছেন, “আমাদের ভালোবাসার পতাকা উত্থাপনের মাধ্যমে ১২ বছর পর দামেস্কে আমাদের দূতাবাস পুনরায় চালু করতে দেখে আমরা আনন্দিত। এটি শুধু সিরিয়ার স্থিতিশীলতার জন্য নয়, বরং পুরো অঞ্চলে শান্তি ও সহযোগিতা বৃদ্ধির প্রতি আমাদের দৃঢ় অঙ্গীকার।”
আশা ও ভবিষ্যত পরিকল্পনা
ইলমাজ আরও বলেন, “সিরিয়ার সঙ্গে কূটনৈতিক সংশ্লিষ্টতা ভ্রাতৃপ্রতিম সিরীয় জনগণের জীবন স্বাভাবিককরণ এবং দেশটির প্রাতিষ্ঠানিক ও অর্থনৈতিক পুনর্গঠনে ভূমিকা রাখবে।”

প্রাসঙ্গিক তথ্য
ইস্তাম্বুলে অবস্থিত সিরিয়ার কনস্যুলেট জেনারেল এই পুরো সময়জুড়ে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে গেছে। সিরিয়া ও তুরস্কের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনঃস্থাপনের এই পদক্ষেপ দুই দেশের ভবিষ্যৎ সহযোগিতাকে আরও মজবুত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।


















