ঢাকা, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ১:৫০ পূর্বাহ্ন

শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকিংয়ে ১০-১২ শতাংশ প্রবৃদ্ধির আভাস

ইসলামী ধারা বা শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকিং এতদিন মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশেই বেশি দেখা যেত।

ইসলামী ধারা বা শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকিং এতদিন মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশেই বেশি দেখা যেত। কিন্তু দিন দিন এর ব্যাপ্তি বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ছে। সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসলামী ব্যাংকিংয়ের মূলধন আগামী বছরের মধ্যে ৫ লাখ কোটি (৫ ট্রিলিয়ন) ডলার ছাড়িয়ে যাবে। এছাড়া এ বছর থেকে ২০২৯ সাল পর্যন্ত এ ধারার ব্যাংকিংয়ে প্রবৃদ্ধি হবে ১০-১২ শতাংশ।

প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে আনাদোলু এজেন্সি। এতে বলা হয়েছে, যুক্তরাজ্য, দক্ষিণ আফ্রিকা ও লুক্সেমবার্গ এগুলো মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ নয়। কিন্তু ইসলামী ধারার ব্যাংকিংয়ের বিস্তারে এ তিন দেশও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। গ্রাহকের জন্য ইসলামী ধারার বিভিন্ন সেবা নিশ্চিতের মাধ্যমে এ ভূমিকা রাখছে তারা।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ইসলামী ধারার ব্যাংকিং বিস্তৃত করার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখছে ‘ইথিক্যাল ইনভেস্টমেন্ট’। মুসলিমদের পাশাপাশি অন্যান্য ধর্মের লোকজনও এ ধারার ব্যাংকিংয়ে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছেন।

মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ নয়, এমন দেশগুলোর মধ্যে যুক্তরাজ্য, বিশেষ করে লন্ডন হয়ে উঠেছে ইসলামী ধারার ব্যাংকিংয়ের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। এছাড়া যুক্তরাজ্য সরকার ‘সুকুক’ নামে নিয়মিতভাবে শরিয়াহভিত্তিক বন্ড বাজারে ছাড়ছে। অন্যদিকে শরিয়াহভিত্তিক বিভিন্ন সেবা নিয়ে মুসলিমদের পাশাপাশি অন্য ধর্মের গ্রাহককেও আকৃষ্ট করার চেষ্টা চলছে দক্ষিণ আফ্রিকায়। আর ইউরোজোনের মধ্যে লুক্সেমবার্গই প্রথম দেশ, যারা পাঁচ বছর মেয়াদে ২১ কোটি ৬৩ লাখ ডলারের শরিয়াহভিত্তিক বন্ড ইস্যু করেছে।

আনাদোলুর হিসাব বলছে, ২০২৩ সাল শেষে ইসলামী ধারার ব্যাংকিংয়ের আর্থিক সম্পদের পরিমাণ ছিল ২ লাখ কোটি ডলার। ২০২৬ সালের মধ্যে অর্থের এ অংক দ্বিগুণের বেশি বাড়বে।

তুরস্কের বার্তা সংস্থাটির অনুসন্ধান বলছে, ইসলামী ধারার ব্যাংকিংয়ের প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে প্রযুক্তি। বিশেষ করে ফিনটেক ও ব্লকচেইনের মতো প্রযুক্তির কারণে লেনদেনে স্বচ্ছতা বেড়ে যাওয়ায় গ্রাহকের আস্থা বেড়ে গেছে।

নিউজটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

ট্যাগঃ