ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ৫:৫০ পূর্বাহ্ন

আমদানি করা নিত্যপণ্যের দাম বিশ্ববাজারের সঙ্গে সমন্বয়ের আহ্বান

জ্বালানি তেলসহ আমদানি করা নিত্যপণ্যের দাম বিশ্ববাজারের সঙ্গে যৌক্তিকভাবে সমন্বয়ের আহ্বান জানিয়েছেন বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ আবাসিক মিশনের সাবেক মুখ্য অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন।

রোববার (২০ মার্চ) রাজধানীর ধানমন্ডিতে সিপিডি কার্যালয়ে ‘পরিবর্তিত বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের অর্থনীতি কোন পথে’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, করোনা পরিস্থিতি থেকে বড় বড় প্রতিষ্ঠান দ্রুত রিকভারি করতে পেরেছে। তারা এখন ভালো করছে, রপ্তানি বেড়েছে, অভ্যন্তরীণ চাহিদা বেড়েছে। তবে নিম্ন আয়ের পরিবার ও ক্ষুদ্র প্রতিষ্ঠান এখনও সেভাবে রিকভারি করতে পারেনি। ফলে এখন মূল্যবৃদ্ধিতে তাদের ওপর আর্থিক বোঝা বাড়বে।

অর্থনীতিবিদ আরও বলেন, জ্বালানি তেলের দাম বাজারভিত্তিক করতে চাইলে যখন দাম বাড়বে তখন বাড়াতে হবে, কমলে কমাতে হবে। ২০১০ সালের দিকে জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছিল বিশ্ববাজারে, এরপর থেকে ধারাবাহিকভাবে কমেছে। আবার ২০২০ সালের এপ্রিলে নেগেটিভ হয়েছিল। কিন্তু আমাদের দেশে ডিজেলের দাম শুধু একবার সমন্বয় করা হয়েছিল।

তিনি বলেন, বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের যে মূল্য বৃদ্ধি, ১০০ ডলার বা ৯৮ ডলার- এটা যে থাকবে তা বলা যাবে না। কারণ এটা স্বাভাবিক না, অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধি। এটা নেমে যাবে। কিন্তু ছয় মাসে নামবে নাকি এক বছরে নামবে সেটা নির্ভর করছে যুদ্ধ পরিস্থিতি কোন দিকে যাচ্ছে, বিশ্ব অর্থনীতি কেমন রিকভারি হচ্ছে, বিশ্বের বড় বড় ব্যাংকের পলিসি কেমন হবে তার ওপর।

ড. জাহিদ হোসেন বলেন, লোকসান কাটাতে পেট্টোবাংলাসহ অনেকেই তেল-গ্যাস-বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে। তবে এখনই আমরা যদি তেল-গ্যাসের দাম না বাড়াই তাহলে চলমান বাজেটের ওপর এর কী প্রভাব পড়বে, সেটার সক্ষমতা আছে কি না সেটা দেখতে হবে। বাজেটে সমন্বয় হলে আর্থিক চাপের কারণে মূল্যবৃদ্ধির যুক্তি গ্রহণযোগ্য হবে না।

নিউজটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

ট্যাগঃ