ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ২:৫৫ পূর্বাহ্ন

বাংলাদেশ ব্যাংকে আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মূলধন রাখা বাধ্যতামূলক

দেশের নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে মূলধনের নির্দিষ্ট অংশ বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা রাখা বাধ্যতামূলক করে ‘ব্যাংক আমানত বীমা আইন’ পরিবর্তনের নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

রবিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠক এই খসড়া আইনের অনুমোদন দেওয়া হয়। গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বৈঠকে যুক্ত হন সরকার প্রধানমন্ত্রী। পরে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম।

সচিব বলেন, ‘ব্যাংকে যে টাকা-পয়সা রাখা হতো সেটির একটি সেফটি সিকিউরিটি ছিলো। কিন্তু বিভিন্ন লিজিং কোম্পানি বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান যে ডিপোজিট করতো সেখানে কোনো সিকিউরিটি ছিলো না। সে জন্য ‘ব্যাংক আমানত বীমা আইন’পরিবর্তন করে ‘ব্যাংক আমানত সুরক্ষা আইন’করা হচ্ছে। ব্যাংক ছাড়াও যত আর্থিক প্রতিষ্ঠান আছে তারা সবাই এই আইনের আওতায় আসবে। ডিপোজিট নিতে হলে ব্যাংকের মতো তাদেরকেও বাংলাদেশ ব্যাংকে সেফটি হিসেবে টাকা জমা রাখতে হবে।’

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘আগে আইন ছিলো ব্যাংক খোলার সময় বাংলাদেশ ব্যাংকে সেইফটি হিসেবে ডিপোজিট রাখতে হতো। কিন্তু লিজিং কোম্পানিগুলো এই আইনের আওয়া ছিলো না। সংশোধিকত এই আইনের মাধ্যমে সবার মূলধন রাখা বাধ্যতামূলক। অর্থাৎ ‘ফিনানসিয়াল ট্যানজেকশন যে নামেই করুক না কেন তাদের অবশ্যই বাংলাদেশ ব্যাংকে রেজিস্ট্রার্ড হতে হবে। তাদের টোটাল পেইডআপ ক্যাপিটালের একটি অংশ বাংলাদেশ ব্যাংকে ডিপোজিট রাখতে হবে। লিজিং কোম্পানি উঠে গেলেও গ্রাহকরা দুই টাকা পর্যন্ত ওই ডিপোজিট থেকে পাবে।

এই সময় ব্যাংক ছাড়া অন্য জায়গায় ডিপোজিট করতে সবাইকে সাবধান থাকার পরামর্শ দেন মন্ত্রী পরিষদ সচিব।

নিউজটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

ট্যাগঃ