ঢাকা, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ২:৩০ পূর্বাহ্ন

ভারতকে হারাতে লাগবে ২৩০ রান

২০১৮ সালে ভারতকে হারিয়েই এশিয়া কাপের প্রথম গৌরব অর্জন করেছিল বাংলাদেশের মেয়েরা। টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে সেবার শিরোপা জিতেছিল। সেই ট্রফি জয়ের অনুপ্রেরণা নিয়ে মঙ্গলবার সকালে ওয়ানডে বিশ্বকাপে একই প্রতিপক্ষের বিপক্ষে মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ।

হ্যামিল্টনের সেডন পার্কে বাংলাদেশ সময় সকাল ৭টায় শুরু হওয়া ম্যাচটিতে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট তুলে ভারতকে চাপে রাখতে পেরেছিল নিগার সুলতানার দল। তবে যষ্টিকা ভাটিয়ার দায়িত্বশীল ইনিংসে বাংলাদেশকে ২৩০ রানের লক্ষ্য দিতে পেরেছে শক্তিশালী ভারত।

ভারতকে হারানোর ইতিহাস তৈরি করতে হলে এক কথায় অসম্ভবকে সম্ভব করতে হবে লাল-সবুজ জার্সিধারীদের। একটি পরিসংখ্যান অবশ্য বাংলাদেশ দলকে স্বস্তি দিতে পারে। গত বছর জানুয়ারি থেকে এখন অব্দি আগে ব্যাটিং করে মাত্র দুটি ম্যাচ জিতেছে ভারত। বাকি ১২টি ম্যাচেই হেরেছে! নিশ্চিতভাবে এই পরিসংখ্যান রুমানা-নিগারদের উজ্জ্বীবিত করবে।

মঙ্গলবার টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ভারত দারুণ সূচনা করেছিল। ১৪ ওভার না যেতেই ওপেনিং জুটিতে তুলে ফেলে ৭২ রান। ১৫তম ওভারের শেষ বলে স্মৃতি মান্ধানাকে ফিরিয়ে প্রথম সাফল্য এনে দেন নাহিদা। ভারতীয় এই ব্যাটারের ব্যাট থেকে আসে ৫১ বলে ৩০ রান। স্মৃতির উইকেটের উদযাপনের রেশ না কাটতেই জোড়া উইকেট নিয়ে ভারতকে চাপে ফেলে দেন রিতু মনি। ষোলোতম ওভারের তৃতীয় ও চতুর্থ বলে ফেরান শেফালি ভার্মা ও মিতালি রাজকে।

৪২ বলে ৪২ রান করা শেফালি স্টাম্পড হন। পরের বলে মিতালি শূন্য রানে কাভারে ক্যাচ দিয়ে বিদায় ফিরেছেন। এমন কঠিন সময়ে যষ্টিকা ভাটিয়া ও হারমনপ্রীত কাউরের ৩৪ রানের জুটি একশো পেরিয়ে যেতে ভূমিকা রেখেছে। দলীয় ১০৮ রানে হারমনপ্রীতের উইকেট হারায় ভারত। তার আগে ভারতীয় ব্যাটার ৩৩ বলে ১৪ রান করে ফিরেছেন। এরপর বড় জুটি গড়েন যষ্টিকা-রিচা। তাদের ৫৪ রানের জুটি ভারতকে দুইশো পেরিয়ে যেতে সহায়তা করেছে। রিচা ৩৬ বলে ২৬ রানে আউট হয়েছেন। আর যষ্টিকা খেলেছেন ৮০ বলে ৫০ রানের মহামূল্যবান ইনিংস। সবমিলিয়ে নির্ধারিত ৫০ ওভারে সাত উইকেট হারিয়ে ভারতের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২২৯ রান।

বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে সফল বোলার রিতু মনি। এই পেসার ৩৭ রান খরচায় নিয়েছেন তিনটি উইকেট। এছাড়া নাহিদা আক্তার দুটি এবং জাহানারা আলম একটি উইকেট নেন।

নিউজটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

ট্যাগঃ