ঢাকা, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ৩:৩৮ পূর্বাহ্ন

জয় শেষে যা বললেন সাকিব

সিরিজ খেলবেন না এমনটাই নির্ধারিত ছিল সাকিবের। শেষমেশ নানা নাটকীয়তার পর দলের সঙ্গে যোগ দিলেন। এরপর ৭৭ রানের অনবদ্য ইনিংস খেলে দলের জয়ে বড় ভূমিকাও রাখলেন। প্রমাণ করে দিলেন তিনিই চ্যাম্পিয়ন অফ চ্যাম্পিয়নস।

পুরষ্কার নিতে এসে যেন বোঝাই গেলো না কি ঝড় কাটিয়েছেন তিনি। বললেন, টস হারলেও তাদের ৩০০ রানে নজর ছিল বাংলাদেশের।

সাকিব বলেন, ‘৭-৮ বল খেলার পর আমি বুঝতে পেরেছি যে উইকেটটা ভালো। আমাদের মাথায় ৩০০ রান ছিল। তামিম ও লিটন আমাদের ভাল শুরু এনে দিয়েছ। পুরনো বলে আমাদের ভালো ব্যাট করা দরকার ছিল।’

সাকিবের সঙ্গে চতুর্থ উইকেটে ১১৫ রানের জুটি গড়েন ইয়াসির রাব্বি। ওই জুটিতে বাংলাদেশ এগিয়ে যায় বড় সংগ্রহের পথে। ম্যাচ শেষে তাই তরুণ সঙ্গীর প্রশংসা করলেন সাকিব,

তিনি বলেন, ‘ইয়াসির খুব ভালো ব্যাট করেছে। আমার আর ওর জুটিটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল। এতে ওর কৃতিত্ব অনেক। ১০ ওভার শেষে বলের শাইন চলে যাওয়ার পর খুব একটা বিপদ ছিল না। আমাদের হিসেব করে ঝুঁকি নিতে হয়েছে। সেটাতে আমরা সফল।’

ঐতিহাসিক এ জয়ের রাতে বাংলাদেশের অধিনায়ক সন্তুষ্ট থাকবেন সেটা স্বাভাবিক। অধিনায়ক তামিম ইকবাল নিজেও স্বীকার করলেন প্রোটিয়াদের তাদের মাটিতে হারানোটা বাংলাদেশের ক্রিকেটের জন্য অনেক বড় বিষয়।

তামিম বলেন, ‘এটা অনেক বড় জয় আমাদের জন্য। দল যেভাবে খেলেছে তাতে আমি অনেক গর্বিত। ইয়াসির খুবই স্পেশাল ইনিংস খেলেছে। ছোট ছোট বিষয়গুলো যেমন, মিরাজ ও মাহমুদুল্লাহর ব্যাট হাতে অবদান এগুলো অনেক গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের ফাস্ট বোলাররা ভালো করছে ও ম্যাচ জেতাচ্ছে। এটা দারুণ ব্যাপার। গত দুই বছর আমাদের ফাস্ট বোলাররা দারুণ বল করেছে।’

ম্যাচ জয়ে যেখানে বোলারদের কৃতিত্ব দিয়েছেন বাংলাদেশের অধিনায়ক, সেখানে সাউথ আফ্রিকান অধিনায়ক দুষছেন তার বোলিং ইউনিটকে। ডেথ ওভারে খরুচে বোলিংয়ের কারণে বের হয়ে গেছে ম্যাচ এমনটা মনে করেন স্বাগতিক অধিনায়ক টেম্বা বাভুমা।

তিনি বলেন, ‘শেষ ২০ ওভারে ১৮০ রান দেয়াটা ঠিক হয়নি। বোলিং নিয়ে অনেক কাজ করতে হবে। ২৭০-২৮০ রান হলে তাড়া করতে পারতাম। কিন্তু শেষে ৪০ রান বেশি হয়ে গেছে। ৩০০ রান তাড়ার সময় কোনো একজনকে সেঞ্চুরি করতে হতো ও অন্যকারও সমর্থন প্রয়োজন হতো। ডুসেন ও মিলার থাকার সময়ে আমাদের সুযোগ ছিল।

উল্লেখ্য, দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে দলটির বিপক্ষে এর আগে ৬ টেস্ট, ১০ ওয়ানডে (একটি পরিত্যক্ত) ও ৪ টি-টোয়েন্টি খেলে সবগুলোতেই পরাজয়ের স্বাদ পেয়েছিল বাংলাদেশ। এবার প্রথম জয় পেয়ে ইতিহাসের পাতায় নাম লেখালেন, তামিম-সাকিব-তাসকিন-মিরাজরা।

নিউজটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

ট্যাগঃ