ঢাকা, বুধবার, ৬ মে ২০২৬, ১২:২৭ অপরাহ্ন

২০০৬ সালের পর চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনালে আর্সেনাল

২০ বছর আগে প্রথমবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনাল খেলেছিল আর্সেনাল। অর্থাৎ সেই ২০০৬ সালে ইউরোপসেরার মঞ্চে তারা সবশেষ খেলার সুযোগ পেয়েছিল। শেষ পর্যন্ত দীর্ঘ দুই দশকের অপেক্ষার অবসান হয়েছে। আবারও নিজেদের শক্তির জানান দিয়েছে আর্সেনাল। চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমিফাইনালের দ্বিতীয় লেগে বুকায়ো সাকার একমাত্র গোলে নির্ধারিত হয়েছে আর্সেনালের ভাগ্য। অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদের বিপক্ষে ১-০ গোলে জিতে দুই লেগ মিলিয়ে ২-১ ব্যবধানে শেষচারের বাধা পার হয়ে ফাইনালে এখন গানাররা।

গত মৌসুমেও সেমিফাইনাল খেলেছিল আর্সেনাল। কিন্তু পরে চ্যাম্পিয়ন হওয়া পিএসজির কাছে হেরে তাদের বিদায় নিতে হয়েছিল। এবার অবশ্য তার পুনরাবৃত্তি হতে দেয়নি মিকেল আর্তেতার দল। প্রথমার্ধে সাকার গোলেই নিশ্চিত করেছে ফাইনালের টিকিট। তাতে করে চ্যাম্পিয়নস লিগ ও প্রিমিয়ার লিগসহ দুটি শিরোপা জয়ের সম্ভাবনা টিকে আছে দলটির সামনে।

প্রথম লেগ ১-১ সমতায় থাকায় এমিরেটস স্টেডিয়ামে মঙ্গলবারের ফিরতি লেগ শুরু হয় বেশ চাপ নিয়ে। ম্যাচের শুরুতে স্পষ্ট গোলের সুযোগও তৈরি করতে পারেনি কেউ। তবে বিরতির ঠিক আগে ৪৪ মিনিটে ম্যাচের ভাগ্য গড়ে দেন সাকা। শুরুতে লিয়ান্ড্রো ট্রোসার্ডের শট ঠেকালেও তা ঠিকমতো ক্লিয়ার করতে পারেননি ইয়ান ওব্লাক। তখন বল গিয়ে কাছে থাকা সাকার সামনে পড়লে তা সহজেই জালে পাঠান। গোলটির পেছনে দারুণ ভূমিকা ছিল ভিক্টর গিওকেরেসেরও।

অ্যাতলেতিকোরও সুযোগ ছিল। প্রথমার্ধে গিলিয়ানো সিমিওনেকে ঠেকাতে শেষ মুহূর্তে দারুণ ট্যাকল করেন ডেকলান রাইস। বিরতির পর সিমিওনে গোলরক্ষক ডেভিড রায়াকে কাটিয়ে উঠলেও গ্যাব্রিয়েল বাধা হয়ে দাঁড়ান সামনে।

এরপর ব্যবধান বাড়ানোর সুবর্ণ সুযোগ পেয়েছিলেন গিওকেরেসও। বদলি পিয়েরো হিঙ্কাপিয়ের ক্রস থেকে বল পেলেও বক্সের ভেতর থেকে শট নেন অনেক উঁচু দিয়ে। যদিও সেই মিস আর্সেনালকে ভোগাতে পারে। শেষ পর্যন্ত রক্ষণ সামলে ২০০৬ সালের পর প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করেছে।

আগামী ৩০ মে বুদাপেস্টের ফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ হবে বায়ার্ন মিউনিখ অথবা পিএসজি।

নিউজটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

ট্যাগঃ