ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ৬:০৯ অপরাহ্ন

সুদীপের সঙ্গে ইংল্যান্ডে গিয়েছিলেন মিমো-হানি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী মুনিরা মাহজাবিন মিমো’র আত্মহত্যার প্ররোচনা মামলায় গ্রেফতার সহযোগী অধ্যাপক সুদীপ চক্রবর্তীকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

সোমবার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বাড্ডা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) কাজী ইকবাল হোসেনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই আদেশ দেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. রিপন হোসেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ঢাবির থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের এক শিক্ষার্থী যুগান্তরকে বলেন, মিমো বিভাগীয় পড়াশোনাসহ সব কাজে সক্রিয় ও দায়িত্বশীল ছিলেন। সুদীপ স্যারের সঙ্গে তার সম্পর্ক নিয়ে বিভাগে আগে থেকে আলোচনা ছিল। সুইসাইড নোট ও কথোপকথনের স্ক্রিনশট বিষয়টি আরও স্পষ্ট হয়েছে।

ওই শিক্ষার্থী জানান, অভিযুক্ত শিক্ষকের একটি ব্যক্তিগত থিয়েটার গ্রুপ ছিল। মিমো ও তার বান্ধবী উম্মে হানিকে ইংল্যান্ডেও নিয়ে যান তিনি। তার ধারণা-মিমো’র সঙ্গে সুদীপ চক্রবর্তীর সম্পর্কের জটিলতা সেখান থেকে শুরু হয়।

এর আগে রোববার সকালে বাড্ডার বাসা থেকে মিমো’র ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে বাড্ডা থানা পুলিশ। এই ঘটনায় নিহতের বাবা বাদী হয়ে সুদীপ চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে বাড্ডা থানায় একটি আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে মামলা করেন। ওই মামলায় সোমবার সুদীপ চক্রবর্তীকে কারাগারে পাঠান আদালত।

তবে আদালতে আসামিপক্ষের আইনজীবী ফুল মোহাম্মদ জামিনের আবেদন করেন। তিনি বলেন, আসামি একজন ভালো শিক্ষক। ঘটনার কিছুই জানেন না। তাকে হয়রানি করা হচ্ছে।

অপরদিকে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা জামিনের বিরোধিতা করেন। তারা আবেদনে বলেন, আত্মহত্যার ঘটনার সঙ্গে সুদীপ চক্রবর্তীর জড়িত থাকার তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে এবং আসামির নাম-ঠিকানা যাচাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত তাকে জেলহাজতে রাখা প্রয়োজন।

নিউজটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

ট্যাগঃ