দেশের প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স আরও দ্রুত ও সহজে প্রান্তিক মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে দেশের অন্যতম সেরা মোবাইল আর্থিক সেবা প্রতিষ্ঠান নগদ ও মিডল্যান্ড ব্যাংক পিএলসি চুক্তি করেছে।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর গুলশানে অবস্থিত মিডল্যান্ড ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে এ সংক্রান্ত একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। দুই পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন মিডল্যান্ড ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইমতিয়াজ উদ্দিন আহমেদ এবং নগদের বাংলাদেশ ব্যাংক নিযুক্ত প্রশাসক মো. মোতাছিম বিল্লাহ।
চুক্তির আওতায় প্রবাসে বাংলাদেশী কর্মীদের কষ্টার্জিত অর্থ মিডল্যান্ড ব্যাংকের মাধ্যমে নগদ সরাসরি সুবিধাভোগীদের মোবাইল ওয়ালেটে পৌঁছে দেবে। এই প্রক্রিয়ায় প্রবাসীরা আন্তর্জাতিক এক্সচেঞ্জ হাউস, মানি ট্রান্সফার অপারেটর (এমটিও) কিংবা ব্যাংকের মাধ্যমে বৈধ পথে দেশে অর্থ পাঠাতে পারবেন। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলসহ যেকোনো স্থান থেকে উপকারভোগীরা ২৪ ঘণ্টা এই অর্থ গ্রহণ ও ব্যবহার করতে পারবেন নগদ গ্রাহক।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে মিডল্যান্ড ব্যাংকের পক্ষে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, ব্যাংকটির উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিআরও মো. জাহিদ হোসেন, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ জাভেদ তারেক খান ও খন্দকার তৌফিক হোসেন খান প্রমুখ।
এছাড়া নগদের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন চিফ কমার্শিয়াল অফিসার মোহাম্মদ শাহীন সারওয়ার ভূঁইয়া, চিফ ফাইন্যান্সিয়াল অফিসার আফজাল আহমেদ ও রেমিট্যান্স বিভাগের প্রধান মো. আহসানুল হক বাশার সহ প্রতিষ্ঠানটির অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

অনুষ্ঠানে মিডল্যান্ড ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইমতিয়াজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, “মিডল্যান্ড ব্যাংক বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিস্তৃত অংশীদার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে রেমিট্যান্স সংগ্রহ করে থাকে। নগদের সঙ্গে এই চুক্তির মাধ্যমে প্রবাসী ও তাঁদের পরিবার এখন থেকে আরো দ্রুত ও সহজে রেমিট্যান্স সেবা পাবেন।”
এসময় নগদের প্রশাসক মো. মোতাছিম বিল্লাহ বলেন, “এই চুক্তির ফলে সর্বোচ্চ নিরাপত্তার সঙ্গে প্রবাসীদের পাঠানো কষ্টার্জিত অর্থ খুব সহজেই তৎক্ষনিকভাবে প্রাপক নগদ ওয়ালেটে পৌঁছে যাবে। উপকারভোগীরা চাইলে যে কোনো সময় এই অর্থ যেমন নগদ ওয়ালেট থেকে ব্যবহার করতে পারবেন একইভাবে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ছড়িয়ে থাকা নগদের তিন লক্ষাধিক উদ্যোক্তা পয়েন্ট থেকেও সবচেয়ে কম খরচে টাকা ক্যাশআউট করে নিতে পারবেন। এই উদ্যোগ দেশের রেমিট্যান্স ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক, গতিশীত ও কার্যকর করবে। ফলে দেশে বৈধ পথে রেমিটেন্সের প্রবাহ বাড়বে।”


















