সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া অনেক ভিডিও এখন এআই নির্মিত। সরাসরি সব ভিডিওকে হয়তো ফেক বলা যাবে না। কিন্তু বিভ্রান্তি ছড়ানোর জন্য এসব বেশ কার্যকর। কিছুদিন আগে সামাজিক মাধ্যমে সিংহের ভিডিও ভাইরাল হয়।
এতে সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গিয়েছিল, বিরাট চেহারার সিংহ রাস্তায় হাঁটছে। আর একটি লোক ফুটপাতে ঘুমাচ্ছে। ওই লোককে সিংহ কয়েক সেকেন্ড শুঁকে চলে গেল। কয়েক লাখ ভিউ হয় সেই ভিডিওর। পরে জানা গেল, সেটি আদৌ সত্যি ভিডিও নয়; সেই ভিডিও এআই প্ল্যাটফর্ম থেকে ছড়ানো হয়েছিল। ভিডিওটি প্রকাশের পর হইচই পড়ে যায়। অনেকে অনেক কিছুই ভেবে বসেন। মজার কথা হলো, কেউই এটির সোর্স চেক করেনি। পরের দিকে বিষয়টি সামনে আসে। এরপর অবধারিতভাবে যে প্রশ্ন চলে আসে তা হলো, কীভাবে বোঝা যাবে কোন ভিডিও আসল, কোনোটাই বা এআই নির্মিত।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে কাজ করা গবেষক ও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এআই ভিডিও বোঝার সবচেয়ে ভালো কৌশল হলো, এই ভিডিওর পিকচার কোয়ালিটি বোঝা। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায়, এআই ভিডিও অনেকটা ব্লারি হয়, অর্থাৎ সেই ভিডিও খুব স্পষ্ট নয়। এতে প্রচুর দানা দানা অংশ আছে। সহজ করে বললে, আগের আমলে টিভিতে যেমন ছবি আসত, অনেকটা সেই ধরনের।
এ রকমের ভিডিওর পিকচার কোয়ালিটিও খুব খারাপ হয়। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই এটি তোলা হয় অনেক দূর থেকে। আর তা চালানো হয় সিসিটিভির ফুটেজ বলে। কারণটা খুব স্পষ্ট। সিংহ রাস্তায় বেরিয়েছে, সেটি যদি ক্যামেরায় তোলা হয়, বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে বাধ্য। কিন্তু সিসিটিভির ফুটেজ বললে সেই বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে কোনো প্রশ্ন ওঠে না।



















