দারুণ বোলিংয়ে লক্ষ্যটা নাগালে রাখলেন আদিল রশিদ, জেমি ওভারটন, লিয়াম ডসনরা। এক বছর পর ইংল্যান্ডের হয়ে খেলতে নেমে বিস্ফোরক ইনিংস উপহার দিলেন জর্ডান কক্স। দাপুটে জয়ে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ নিশ্চিত করল ইংলিশরা।
ডাবলিনে রোববার সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে আইরিশদের ৬ উইকেটে হারিয়েছে সফরকারীরা। ১৭ বল হাতে রেখেই তারা ১৫৫ রানের লক্ষ্য পূরণ করে।
এই জয়ে তিন ম্যাচের সিরিজ ২-০তে জিতে নিল ইংল্যান্ড। সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচ বৃষ্টিতে ভেসে যায়।
২৯ রানে ৩ উইকেট নিয়ে ম্যাচ-সেরা লেগ স্পিনার রাশিদ। দুটি করে উইকেট নেন লিয়াম ডসন ও জেমি ওভারটন।
রান তাড়ায় চারটি করে ছক্কা ও চারে ৩৫ বলে ৫৫ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন কক্স। ২৬ বলে ৬ চারে ৩৭ রান করে দলের জয় সঙ্গে নিতে ফেরেন টম ব্যান্টন।

টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে পাওয়ার প্লেতে অধিনায়ক পল স্টার্লিংকে হারিয়ে ৪৬ রান তোলে আয়ারল্যান্ড। পাওয়ার প্লের পরের ওভারে ফেরেন ভালো শুরু পাওয়া আরেক ওপেনার রস অ্যাডায়ার। ১ ছক্কা ও ৫ চারে ২৩ বলে ৩৩ রান করেন তিনি।
জেমি ওভারটনের ৪ বলের মধ্যে লর্কান টাকার ও কার্টিস ক্যাম্পারকে হারিয়ে বিপদ বাড়ে স্বাগতিকদের। খানিক পর দুই ওভারে আরও তিন জনের বিদায়ে তাদের স্কোর হয়ে যায় ৭ উইকেটে ১০৭।
সেখান থেকে আইরিশরা দেড়শ ছাড়ায় গ্যারেথ ডেলানির ব্যাটে। সাতে নেমে ৩ ছক্কা ও ৪টি চারে ২৯ বলে ৪৮ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন তিনি।
আয়ারল্যান্ডের ইনিংসের পরপর হানা দেয় বৃষ্টি। ব্যাটিংয়ে নামতে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে হয় ইংলিশদের। খেলা শুরু হলে দ্বিতীয় ওভারেই ধাক্কা খায় তারা, শূন্য রানে বিদায় নেন জস বাটলার। টিকতে পারেননি ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক জ্যাকব বেথেলও।
তবে ৫৭ রানের জুটিতে লক্ষ্যের পথে দলকে এগিয়ে নেন ফিল সল্ট ও কক্স। ১ ছক্কা ও ২ চারে ২৯ রান করা সল্টকে কট বিহাইন্ড করে জুটি ভাঙেন ক্যাম্পার।
আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে ৩১ বলে ইংল্যান্ডের হয়ে নিজের প্রথম টি-টোয়েন্টি ফিফটিতে পা রাখেন কক্স। তাকে থামান বেন হোয়াইট। তাতে ভাঙে ব্যান্টনের সঙ্গে কক্সের ৪৯ রানের জুটি। এরপর রেহান আহমেদকে নিয়ে জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়েন ব্যান্টন।


















