বাজারে ধীরে ধীরে কমছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম। এক সপ্তাহের ব্যবধানে চালের দাম কেজিপ্রতি ১-৪ টাকা কমেছে, একই সঙ্গে কিছুটা কমেছে পেঁয়াজ ও আলুর দামও। এতে স্বস্তি ফিরে এসেছে ভোক্তাদের মাঝে। তবে ব্রয়লার ও সোনালি মুরগির দাম কিছুটা বেড়েছে।
চালের বাজারে স্বস্তি
রাজধানীর শেওড়াপাড়া, মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেট ও টাউন হল মার্কেটে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত দেড় মাসে চালের দাম কেজিতে ৮-১২ টাকা পর্যন্ত বেড়ে গিয়েছিল। আমনের ভরা মৌসুমেও দাম ঊর্ধ্বমুখী থাকায় সাধারণ মানুষ সমস্যায় পড়ে। সরকার আমদানি ও অন্যান্য উদ্যোগ নেওয়ার ফলে গত এক সপ্তাহে চালের দাম কিছুটা কমতে শুরু করেছে।
বর্তমানে বাজারে—
মোটা চাল: ৫২-৫৫ টাকা প্রতি কেজি

মাঝারি চাল: ৫৮-৬৪ টাকা প্রতি কেজি
সরু চাল: ৭২-৮৫ টাকা প্রতি কেজি
বাজারের বিক্রেতারা জানিয়েছেন, পাইকারি মোকামগুলোতে দাম কমার প্রভাব খুচরা বাজারেও পড়ছে। মিলমালিক ও পাইকারদের মতে, সরকারের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির কারণেও চালের দাম কমতির দিকে।
পেঁয়াজ ও আলুর দামেও স্বস্তির ছোঁয়া
এক সপ্তাহের মধ্যে পেঁয়াজ ও আলুর দামও কমেছে। নতুন দেশি পেঁয়াজ বাজারে আসায় সরবরাহ বেড়েছে, ফলে দামও কমেছে।
পেঁয়াজ: ৪৫-৫০ টাকা প্রতি কেজি (আগে ছিল ৫০-৫৫ টাকা)
আলু: ১৮-২০ টাকা প্রতি কেজি (আগে ছিল ২০-২৫ টাকা)
তবে স্থানীয় দোকানগুলোতে কিছুটা বেশি দামে বিক্রি হতে দেখা গেছে।
ডিমের দাম অপরিবর্তিত, মুরগির দাম বেড়েছে
ফার্মের মুরগির ডিম: ১২৫-১৩৫ টাকা প্রতি ডজন (টানা কয়েক সপ্তাহ ধরে স্থিতিশীল)
ব্রয়লার মুরগি: ১৯০-২০০ টাকা প্রতি কেজি (আগে ছিল ১৮০-১৯০ টাকা)
সোনালি মুরগি: ২৮০-৩২০ টাকা প্রতি কেজি (আগে ছিল ২৮০-৩১০ টাকা)
মসলা বাজারের অবস্থা
রসুন: ২২০-২৪০ টাকা প্রতি কেজি
আমদানি করা আদা: ২৩০-২৪০ টাকা প্রতি কেজি
দেশি আদা: ১২০-১৩০ টাকা প্রতি কেজি
চালের পাশাপাশি অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামও কমতে থাকলে স্বস্তি আরও বাড়বে বলে মনে করছেন ভোক্তারা।


















