বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত সর্বশেষ প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এখন ১ হাজার ৮৪৯ কোটি ৮০ লাখ ডলার (আইএমএফের বিপিএম-৬ হিসাব অনুযায়ী)। বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব হিসাবে এই পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৪২৭ কোটি ডলারে।
রেমিট্যান্সের ইতিবাচক ধারা
বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রবাসী আয়ের প্রবৃদ্ধি এবং ডলারের চাহিদা মেটানোর সক্ষমতা বৃদ্ধির কারণে রিজার্ভ বাড়ছে। চলতি অর্থবছরে রেমিট্যান্স প্রবাহে ৬০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে।
নভেম্বর মাসের প্রথম ১৬ দিনে ১২৫ কোটি ৫১ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে, যা অক্টোবরের ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে। মাসের শেষে এই ধারা অব্যাহত থাকলে আড়াই বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স আসার আশা করা হচ্ছে।
রিজার্ভ বৃদ্ধির সম্ভাবনা

বিশ্বব্যাংক আগামী ২০২৫ সালের জুন মাসের মধ্যে বাংলাদেশকে ২ থেকে ৩ বিলিয়ন ডলার ঋণ সহায়তা দেবে। এছাড়া আরও কয়েকটি আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থা ঋণ দিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এসব ঋণের অর্থ প্রবাহিত হলে রিজার্ভ আরও বাড়বে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্টরা।
ডলারের বাজারে স্থিতিশীলতা
ব্যাংকগুলো নিজেরাই ডলার কেনাবেচা করতে সক্ষম হওয়ায় ফরেন এক্সচেঞ্জ রিজার্ভ ক্ষয়রোধ করা সম্ভব হচ্ছে। বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠানোর বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং হুন্ডি থেকে সরে আসার প্রবণতাও এই প্রবৃদ্ধিতে ভূমিকা রেখেছে।
দেশের অর্থনৈতিক সংকট কাটিয়ে ওঠার এই ইতিবাচক ধারা রিজার্ভের ওপর চাপ কমিয়ে স্থিতিশীলতা আনবে বলে আশা করা হচ্ছে।


















