ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১৭ অপরাহ্ন

সাংবাদিকদের জায়গা দখল করছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রশ্ন এলেই মানুষ বনাম প্রযুক্তির তুলনা সামনে আসে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিভিন্ন খাতে বিপুলসংখ্যক পেশাজীবী মানুষকে হুমকিতে ফেলবে কিনা সে বিষয়েও আলোচনা শুরু হয়। তবে চ্যাটজিপিটির মতো এআই টুলের উদ্ভবে ধাক্কাটা সাংবাদিকতার ওপর। সম্প্রতি জার্মান সংবাদমাধ্যম ‘‌বিল্ড’ ও ‘‌দিয়ে ওয়েল্ট’ কর্মী ছাঁটাইয়ের ঘোষণা দিয়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারের সুযোগ নিতে চায় তারা। সাংবাদিকদের সরিয়ে তার স্থানে ব্যবহার করা হবে এআই টুল। খবর দ্য টেক টাইমস।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সাংবাদিকতায় নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে। চ্যাটজিপিটির মতো টুলগুলো পালন করতে পারে বৃহত্তর অনুঘটকের ভূমিকা। জানুয়ারি মাসে প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান ‘‌বাজফিড’ তাদের কনটেন্টের সংখ্যা বৃদ্ধিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারের পরিকল্পনা করে। ডেইলি মিরর ও ডেইলি এক্সপ্রেস থেকেও নেয়া হয়েছে একই উদ্যোগ।

২০২২ সালের নভেম্বরে চ্যাটজিটিপি উন্মুক্ত হওয়ার পর থেকেই চমক দেখিয়েছে। সারা বিশ্বে এখন কোটির বেশি ব্যবহারকারী। প্রবন্ধ ও চাকরির আবেদনপত্র থেকে শুরু করে সব ধরনের লেখাই প্রশ্নের উত্তর আকারে হাজির করে টুলটি। যদিও এখন পর্যন্ত যথার্থতা ও বিশুদ্ধতা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

সংবাদমাধ্যম সিনেট এর মধ্যে এআই টুল দিয়েই সংবাদ লিখিয়েছে। পরবর্তী সময়ে তা সংশোধন করছেন সংবাদকর্মীরা। জানুয়ারিতে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে এটি ব্যবহারের সীমাবদ্ধতা তুলে ধরা হয়েছে। ভুলভ্রান্তি নিয়ে সমালোচনাও হয়েছে বিস্তর। তবে বিশ্লেষকদের ভাষ্য, এআই টুলগুলো এখনো মৌলিক লেখায় প্রস্তুত না।

নিউজটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

ট্যাগঃ