উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ও ইতালিয়ান সিরি আ-তে দারুণ ছন্দ বজায় রেখে নতুন ইতিহাস গড়েছে ইতালিয়ান ক্লাব কোমো। উয়েফার সর্বোচ্চ ক্লাব প্রতিযোগিতার ইতিহাসে প্রথম দল হিসেবে প্রতিপক্ষের মাঠে গিয়ে সর্বোচ্চ ৯টি গোল করার বিরল রেকর্ড গড়েছে সেস ফাব্রেগাসের শিষ্যরা। ফরাসি ক্লাব লঁসের ঘরের মাঠে গিয়ে তাদের ৯-১ গোলের বিশাল ব্যবধানে বিধ্বস্ত করেছে কোমো।
চলতি আসরেই চ্যাম্পিয়ন্স লিগে অভিষেক হওয়া ইতালিয়ান ক্লাবটি শুরু থেকেই নজরকাড়া পারফরম্যান্স উপহার দিচ্ছে। লিগ পর্বের চার ম্যাচের মধ্যে এটি তাদের তৃতীয় জয়। এই বড় জয়ের ওপর ভর করে পয়েন্ট তালিকার চতুর্থ স্থানে উঠে এসেছে ফাব্রেগাসের কোমো।
এর আগে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে অ্যাওয়ে দল হিসেবে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ডটি ছিল বায়ার্ন মিউনিখের দখলে। ২০২০ সালে নিরপেক্ষ ভেন্যু লিসবনে বার্সেলোনাকে ৮-২ গোলে হারিয়েছিল জার্মান জায়ান্টরা। এ ছাড়া জয়ের ব্যবধানের দিক থেকেও এটি চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ইতিহাসে যৌথভাবে সবচেয়ে বড় জয়ের রেকর্ড। এর আগে ২০০৭ সালে লিভারপুল ও ২০১৫ সালে রিয়াল মাদ্রিদ তাদের ঘরের মাঠে যথাক্রমে বেসিকতাস ও মালমোকে ৮-০ ব্যবধানে হারিয়েছিল।
লঁসকে চূর্ণ করার দিনে কোমোর হয়ে দুর্দান্ত হ্যাটট্রিক করেছেন গ্রিক ফরোয়ার্ড তাসোস দুভিকাস। চলতি চ্যাম্পিয়ন্স লিগে দলটির চারটি ম্যাচেই জালের দেখা পাওয়া দুভিকাস ৬ গোল নিয়ে এখন পর্যন্ত আসরের সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকার শীর্ষে অবস্থান করছেন। গোল পেয়েছেন আর্জেন্টিনার উদীয়মান তারকা নিকো পাজও। তবে গোল উদযাপনের বদলে পাজ প্রয়াত স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড হেসুস দে মিগেলের ছবি সংবলিত টি-শার্ট উঁচিয়ে শ্রদ্ধা জানান। মাঠে সংঘর্ষের ফলে মৃত্যুবরণ করা দে মিগেল ২০১৪ থেকে ২০১৬ পর্যন্ত পাজের শৈশবের ক্লাব তেনেরিফেতে খেলেছিলেন।
কোমোর ঐতিহাসিক এই জয়ে বাকি গোলগুলো এসেছে লুকাস দা কুনহা, মার্ক-অলিভার কেম্পফ, মাত্তিয়া লিবেরালি, মার্তিনা বাতুরিনা এবং ১৮ বছর বয়সী তরুণ মাত্তেও পাপাচ্চিওলির পা থেকে। বদলি হিসেবে নামা যুব দলের সদস্য পাপাচ্চিওলির এখনো ইতালির শীর্ষ লিগ সিরি আ-তেই অভিষেক হয়নি, তবে ইউরোপের সেরা মঞ্চে নেমেই তিনি নিজের প্রথম গোলের স্বাদ পেলেন।



















