সিপিএলে খেলতে গিয়েছেন প্রথমবার। আর তাতেই বাজিমাত করছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। প্রথম ম্যাচে নিয়েছিলেন ৩ উইকেট, এবার ত্রিনবাগো নাইট রাইডার্সের বিপক্ষে ৪ উইকেট নিয়েছেন তিনি। তার এই কীর্তিতেই ৮ বল আর ৬ উইকেট হাতে রেখে অনায়াস জয় তুলে নিয়েছে তার দল গায়ানা আমাজন ওয়ারিয়র্স।
ত্রিনবাগোর ইনিংসে প্রথম ধাক্কাটা মিরাজই দিয়েছেন। শুরুটা করেন ২ বলে ২ উইকেট নিয়ে। ১৫ বলে ২৬ রান করে বিপদের শঙ্কা জাগানো কলিন মুনরোকে বোল্ড করে ফেরান সাজঘরে। পরের বলে বোল্ড করেন নিকলাস পুরানকে। ইনিংসের ১৩তম ওভারে ফিরে এসে জিড গুলিকে বোল্ড করেন গুগলিতে বিভ্রান্ত করে। পরের ওভারে সুনীল নারাইনকেও বিদায় করেন বোল্ড করে। বোলিং শেষ করেন ২৩ রানে ৪ উইকেট নিয়ে।
প্রথম ম্যাচে ১৩ রানে ৩ উইকেট নিয়েছিলেন। আজ ২৪ রানে ৪ উইকেট নেওয়ার পর তার বোলিং গড় দাঁড়িয়েছে মোটে ৫.১৫-এ। এমন ভালো বোলিং গড় সিপিএলে নেই আর কারও। সবশেষ এই পারফর্ম্যান্সের কারণে তিনি বনে গেছেন ম্যাচসেরা।
পুরস্কার বিতরণী মঞ্চে তিনি বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, এটা আমার জন্য একটি দারুণ মুহূর্ত। আমি প্রথমবারের মতো সিপিএল খেলছি এবং ম্যান অব দ্য ম্যাচ পুরস্কার পেয়েছি। ম্যাচটি আমি দারুণ উপভোগ করেছি।’
কীভাবে এমন সাফল্য পাচ্ছেন মিরাজ? জানালেন নিজেই, ‘’আমি সঠিক জায়গায় বল করার এবং উইকেট নেওয়ার চেষ্টা করেছি। আমি জানতাম উইকেট কিছুটা টার্নিং ছিল এবং এটা স্পিনারদের সাহায্য করবে।’

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে তিনি বলেন, ‘বার্বাডোসের বিপক্ষে আমাদের আরও একটি ম্যাচ বাকি আছে, এটা চ্যালেঞ্জিং আশা করি জিততে পারব। এরপর প্লে-অফ আছে সেখানে দুইটা ম্যাচ আছে জিতলে ফাইনালে যাব। আশা করছি আমরা পরের ম্যাচ জিততে পারব।’


















