তানজিদ হাসান (৫৪) ও নাজমুল হোসেন শান্ত (৬৭) শুরুর ভিত গড়ার পর ছন্দপতন ঘটেছিল ইনিংসে। শান্তর বিদায়ে ১৪০ রানে পতন হয় চতুর্থ উইকেটের। তার পর পঞ্চম উইকেটে জুটি গড়ে দলকে ভালো জায়গায় নিয়ে যান মূলত তাওহীদ হৃদয় ও মোসাদ্দেক হোসেন। দলের স্কোর দুইশ ছাড়ান তারা। এই জুটিতে যোগ হয় ৭৫ রান। হৃদয় ৩১ রানে আউট হলেও দলকে শেষ পর্যন্ত টেনে নিয়ে ভালো স্কোর পাইয়ে দিতে ভূমিকা রাখেন ৪ বছর পর ফেরা মোসাদ্দেক হোসেন। তার ৭০ বলে ৮৬ রানের অপরাজিত ইনিংসে ভর করে প্রথম ওয়ানডেতে ৮ উইকেটে ২৮৪ রানের সংগ্রহ পেয়েছে বাংলাদেশ। মোসাদ্দেকের আগ্রাসী ইনিংসে ছিল ৭টি চার ও ৩টি ছক্কা। শেষ দিকে তাসকিন আহমেদও ১৬ বলে ২০ রানের কার্যকরী ইনিংসে ভূমিকা রাখেন। তাতে চিল ২টি চার ও ১টি ছক্কার মার। শেষ দিকে মোসাদ্দেক-তাসকিনের অষ্টম উইকেট জুটিতে যোগ হয়েছে ৩৩ বলে ৪৫ রান।
অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ৩৮ রানে ৩টি উইকেট নেন নাথান এলিস। দুটি করে নেন লিয়াম স্কট ও ম্যাট রেনশ। একটি নিয়েছেন জেভিয়ার বার্টলেট।
সাজঘরে লিটন-শান্ত
খণ্ডকালীন অফস্পিনার ম্যাট রেনশর জোড়া আঘাতে কিছুটা ছন্দ হারিয়েছে বাংলাদেশ। ৩০ ওভার শেষে দলের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ১৬৭ রান।
লিটন দাস ৯ বলে ৭ রান করে রেনশর বলেই ফিরতি ক্যাচ দিয়েছেন। এরপর সেট ব্যাটার নাজমুল হোসেন শান্তও তার শিকার হন। ৮৬ বলে ৬৭ রান করা শান্তকে ক্যাচে পরিণত করেন কুপার কনোলি।



















