ঢাকা, বুধবার, ৬ মে ২০২৬, ১২:২৯ অপরাহ্ন

সাবেক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূরের জামিন

সাবেক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর একটি মামলায় হাইকোর্ট থেকে স্থায়ী জামিন পেয়েছেন। তবে একটি হত্যা মামলায় তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত।

একইসঙ্গে সাবেক রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন তিনটি মামলায় স্থায়ী জামিন পেয়েছেন। অন্যদিকে চাঁদাবাজি মামলায় সাংবাদিক মোজাম্মেল বাবুর জামিন আবেদনও খারিজ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৫ মে) পাঁচটি পৃথক জামিন আবেদনের শুনানি শেষে বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

অসুস্থতা ও দীর্ঘদিন কারাবাসের বিষয়টি উল্লেখ করে আসাদুজ্জামান নূর, নূরুল ইসলাম সুজন ও মোজাম্মেল বাবু আদালতে জামিন আবেদন করেন।

ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সৈয়দ শাজিয়া শারমিন গণমাধ্যমকে জানান, ২০২৪ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর গ্রেপ্তার হন আসাদুজ্জামান নূর। তার বিরুদ্ধে নীলফামারী থানায় দুটি মামলা রয়েছে একটি সিদ্দিক আলীকে গাড়িচাপায় হত্যা এবং অন্যটি বিএনপি নেতা গোলাম রাব্বানী হত্যা মামলা।

তিনি বলেন, ‘রাব্বানী হত্যা মামলায় নূর জামিন পেলেও সিদ্দিক আলী হত্যা মামলায় আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করেছেন।’

এ বিষয়ে নূরের আইনজীবী জ্যোতির্ময় বড়ুয়ার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এর আগে গত ৪ মে ‘জুলাই অভ্যুত্থান’ সংশ্লিষ্ট একটি মামলায়ও আসাদুজ্জামান নূরকে জামিন দিয়েছিলেন একই আদালত।

অপরদিকে, ২০২৪ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর গ্রেপ্তার হওয়া সাবেক রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজনের বিরুদ্ধে ঢাকার যাত্রাবাড়ী ও পঞ্চগড়ে তিনটি হত্যা মামলা রয়েছে। তার আইনজীবী এস এম আবুল হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, ‘রাষ্ট্রপক্ষ যদি হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন না করে এবং আপিল বিভাগ যদি হাইকোর্টের জামিনের রায়ের ওপর স্থগিতাদেশ না দেয়, তবে তার কারামুক্তিতে আইনি বাধা নেই।’

এদিকে একাত্তর টিভির সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবুকে বনানী থানার একটি চাঁদাবাজি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। মামলায় অভিযোগ করা হয়, ২০০৭ সালে বৈশাখী টিভির অফিসে গিয়ে তার নেতৃত্বে একদল লোক ১০ কোটি টাকা চাঁদা দাবি করে এবং নগদ অর্থ লুট করে।

পরে ২০২৪ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর ময়মনসিংহ সীমান্ত দিয়ে ভারতে যাওয়ার সময় তাকে আটক করা হয়। এরপর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন।

মঙ্গলবার শুনানিতে সুজন ও বাবুর পক্ষে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জেড আই খান পান্না ও মো. মোতাহার হোসেন সাজু আদালতে যুক্তি উপস্থাপন করেন।

নিউজটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

ট্যাগঃ