ঢাকা, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ২:৪৩ অপরাহ্ন

সিরিয়ায় আসাদের পতনে নতুন যুগের সূচনা: পরিস্থিতি নিবিড় পর্যবেক্ষণে যুক্তরাষ্ট্র

দুই যুগেরও বেশি সময় ধরে চলা সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের শাসনের অবসান ঘটেছে। সশস্ত্র বিদ্রোহীদের রাজধানী দামেস্কে প্রবেশের পর আসাদ দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় দেশটির রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নাটকীয় পরিবর্তন এসেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিক্রিয়া:
হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, সিরিয়ার এই “নজিরবিহীন” পরিস্থিতি ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। হোয়াইট হাউসের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বাইডেন এবং তার প্রশাসন আঞ্চলিক অংশীদারদের সাথে যোগাযোগ রাখছে এবং সিরিয়ার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে সজাগ রয়েছে।

বিদ্রোহীদের ঘোষণা:
সিরিয়ায় আসাদের পতনের পর সশস্ত্র বিরোধী দল “শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান” নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তারা বলছে, “নতুন সিরিয়া” হবে ন্যায়বিচার এবং সমস্ত নাগরিকের মর্যাদা রক্ষার স্থান। বিদ্রোহীদের পক্ষ থেকে একটি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “আমরা অন্ধকার অতীতের পাতা উল্টে দিয়ে একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করছি।”

নতুন যুগের প্রত্যাশা:
বিরোধীরা জানিয়েছে, বাথিস্ট শাসনের অধীনে ৫০ বছরের নিপীড়ন এবং ১৩ বছরের গৃহযুদ্ধ শেষে তারা একটি নতুন যুগের সূচনা করেছে। “অত্যাচার, বাস্তুচ্যুতি এবং দখলদার বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই শেষে আমরা আজ ৮ ডিসেম্বর সেই অন্ধকার যুগের সমাপ্তি ঘোষণা করছি,” বিদ্রোহীরা বলেছে।

আঞ্চলিক প্রতিক্রিয়া:
সিরিয়ায় আসাদের শাসনের পতন এবং নতুন সরকারের প্রতিশ্রুতির পর, আঞ্চলিক শক্তিগুলোর ভূমিকা এবং আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়ার দিকে দৃষ্টি রাখা জরুরি বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

সিরিয়ায় শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার আশা নিয়ে বিশ্ববাসী এখন দেশটির নতুন সরকারের কার্যক্রমের দিকে নজর রাখছে।

নিউজটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

ট্যাগঃ