ঢাকা, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ৫:০৭ পূর্বাহ্ন

দেশীয় উৎপাদনমুখী শিল্পের টেকসই বিকাশে গবেষণা ও উদ্ভাবনে বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান

দেশীয় উৎপাদনমুখী শিল্পের টেকসই বিকাশ নিশ্চিত করতে এবং প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়াতে গবেষণা ও উদ্ভাবনে (আরঅ্যান্ডআই) বিনিয়োগ বৃদ্ধির গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে ওয়ালটনের আয়োজিত এক আলোচনা সভায়।

শুক্রবার (৬ ডিসেম্বর) রাজধানীর বসুন্ধরা আন্তর্জাতিক কনভেনশন সিটিতে ওয়ালটন আয়োজিত একক বৃহৎ শিল্পমেলা ‘এটিএস এক্সপো-২০২৪’-এর দ্বিতীয় দিন “স্থানীয় উৎপাদনমুখী শিল্প শক্তিশালীকরণ: ইলেকট্রনিক্স শিল্পে বাংলাদেশের উত্থান” শীর্ষক প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচনায় সভাপতিত্ব করেন ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর এবং বিজনেস কো-অর্ডিনেটর তানভীর আঞ্জুম। তিনি বলেন, “স্থানীয় উৎপাদনমুখী শিল্পের উন্নতি গবেষণা ও উদ্ভাবন ছাড়া সম্ভব নয়। এ জন্য বিপুল বিনিয়োগ জরুরি। ওয়ালটন এ ক্ষেত্রে বিশেষ নজর দিয়ে দক্ষ প্রকৌশলীদের নিয়ে একটি শক্তিশালী আরঅ্যান্ডআই টিম গড়ে তুলেছে।”

এশিয়া প্যাসিফিক ইউনিভার্সিটির ভাইস-চ্যান্সেলর ড. কামরুল হাসান বলেন, “দেশীয় শিল্পের উন্নতির জন্য ব্যাকওয়ার্ড লিঙ্কেজ এবং ইন্ডাস্ট্রি-অ্যাকাডেমিয়া সমন্বয় অপরিহার্য। শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের গবেষণায় যুক্ত করার মাধ্যমে ইন্ডাস্ট্রির জন্য দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি হবে।”

বেস্ট ইলেকট্রনিক্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ তাহমিদ জামান রাশিক বলেন, “গত ৫০ বছরে বাংলাদেশের ইলেকট্রনিক্স খাতে বিপ্লব ঘটেছে। এই অগ্রযাত্রার মূল চালিকাশক্তি ছিল ওয়ালটন।”

দারাজ বাংলাদেশের কমার্শিয়াল ডিরেক্টর কামরুল হাসান বলেন, “গবেষণা ও উন্নয়ন খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি করা গেলে ইলেকট্রনিক্স শিল্পে বাংলাদেশ দ্রুত দ্বিতীয় চীন হয়ে উঠতে পারবে।”

কিউডি সল্যুশন লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার মফিজুর রহমান বলেন, “বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী পণ্য উৎপাদনে ওয়ালটন উদাহরণ সৃষ্টি করেছে। তাদের উদ্ভাবনী প্রযুক্তি পরিবেশবান্ধব এবং গ্রাহকদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়।”

ওয়ালটনের পণ্য ও প্রযুক্তি প্রদর্শনের মাধ্যমে আমদানি নির্ভরতা হ্রাস এবং বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়ের লক্ষ্যেই এই মেলার আয়োজন।

নিউজটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

ট্যাগঃ