ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ৬:০৭ অপরাহ্ন

বেধে দেওয়া দামে বিক্রি হচ্ছে না ডিম, মুরগি

ডিম ও মুরগির যৌক্তিক দাম বেঁধে দেওয়ার পরেও বেড়েই চলছে সাধারণে মানুষের পুষ্টির এ পণ্যগুলোর দাম। আলু ও পেঁয়াজ আমদানিতে শুল্ক কমানো হয়েছে তারও দুই সপ্তাহ আগে। কিন্তু প্রভাব নেই বাজারে। তাতে অসন্তুষ্ট সাধারণ মানুষ।

বিক্রেতারা জানান, ১৫ সেপ্টেম্বর প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর খুচরা পর্যায়ে প্রতিটি ডিমের দর ১১ টাকা ৮৭ পয়সা নির্ধারণ করে দেয়। যখন ডিমের দাম বেঁধে দেওয়া হয়েছিল, তখন প্রতি ডজন বিক্রি হতো ১৫০-১৫৫ টাকা দরে। যা ১০টাকা বেড়ে এখন ১৬৫ টাকা হয়েছে।

একই অবস্থা ব্রয়লার ও সোনালি জাতের মুরগির ক্ষেত্রেও। বাজারে যখন প্রতি কেজি ব্রয়লারের দাম ১৭০ টাকা এবং সোনালি জাতের মুরগি ২৬০ টাকা বিক্রি হচ্ছিল, তখন দাম নির্ধারণ করা হয় কেজি প্রতি যথাক্রমে ১৭৯ টাকা ৫৯ পয়সা ও ২৬৯ টাকা ৬৪ পয়সা। এখন কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা বেড়ে ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৮০ থেকে ১৯০ টাকা এবং সোনালি মুরগির বিক্রি হচ্ছে ২৬০ থেকে ২৮০ টাকায়।

উৎপাদনকারী থেকে খুচরা ব্যবসায়ী কেউই নির্ধারিত দাম মানছেন না। বরং আমিষ জাতীয় খাদ্যপণ্য দুটি আগের চেয়ে বাড়তি দামে কিনতে হচ্ছে।

দর বাড়ার ব্যাপারে পাইকারি ব্যবসায়ীরা বলছেন, দর নির্ধারণের আগে সরকার কোনো পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করেনি। উৎপাদন না বাড়িয়ে দর নির্ধারণ করলে তা বাস্তবায়ন হবে না।

আর খুচরা বিক্রেতারা বলছেন, পাইকারি বাজারে দাম বাড়িয়ে বিক্রি করা হচ্ছে, যে কারণে বেঁধে দেওয়া দামের মধ্যে তারা বিক্রি করতে পারছেন না।

রাজধানীর বাজারগুলোতে ফার্মের মুরগির বাদামি ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৬৫ টাকা দরে। যা নির্ধারিত দরের চেয়ে ২২ টাকা বেশি। এছাড়া দেশি হাঁস-মুরগির ডিমের ডজন খুচরায় বিক্রি হচ্ছে ২০৫ থেকে ২১৫ টাকা দরে।

নিউজটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

ট্যাগঃ