নানা আলোচনা-সমালোচনার মধ্যে শেষ হলো বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ১৭তম নির্বাচনের মেয়াদ। দুই বছরের মেয়াদে সাধারণ সম্পাদকের পদ নিয়েই বেশি সমালোচনা আর আলোচনা ছিল ইন্ডাস্ট্রিতে। তবে কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ায় এখন আসন্ন নির্বাচন নিয়ে বাড়ছে উন্মাদনা। এবার আসন্ন এ নির্বাচন ঘিরে নতুন-পুরনো অনেক তারকাই প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছেন। আবার শিল্পী সমিতি থেকে নির্বাচনের জন্য তারিখও চূড়ান্ত করা হয়েছে। আগামী ৪ এপ্রিল বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনে অনুষ্ঠিত হবে এ নির্বাচন।
শিল্পী সমিতির নির্বাচন কমিশনের আপীল বোর্ডের সদস্য সামসুল আলম নিশ্চিত করেছেন বিষয়টি। এর আগে গত ১ ফেব্রুয়ারি শিল্পী সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির সভা হয়। সভায় ২০২৪-২৫ দ্বি-বার্ষিক মেয়াদে নির্বাচনের বিষয় চূড়ান্ত হয়। তবে শিল্পী সমিতির এ আসরের নির্বাচনে কারা অংশ নিচ্ছেন বা কয়টি প্যানেল থাকছে, সেটি এখনো জানা যায়নি।
যদিও অনেক আগেই অভিনেতা-প্রযোজক মনোয়ার হোসেন ডিপজল চমক রেখে প্যানেল প্রস্তুত করে রেখেছেন বলে জানিয়েছেন। এ ছাড়া ভেতরে ভেতরে আরও অনেকেই নির্বাচনের প্রস্তুতি সেরেছেন। আশা করা যাচ্ছে শিগগিরই নির্বাচনে প্রার্থী হতে আগ্রহী শিল্পীরা সক্রিয় হবেন এবং প্রচারণা শুরু করবেন।
প্রসঙ্গত, এর আগে ২০২২ সালের ২৮ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হয় শিল্পী সমিতির ২০২২-২৪ মেয়াদের নির্বাচন। সকাল সোয়া ৯টায় এফডিসিতে উৎসবমুখর পরিবেশে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলে ভোটগ্রহণ। পরে দিবাগত রাত পৌনে ৬টায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার পীরজাদা হারুন নির্বাচনের ফল ঘোষণা করেন। নির্বাচন কমিশনার প্রথমে কার্যনির্বাহী সদস্যপদে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করেন।
নির্বাচনে দুইবারের সভাপতি মিশা সওদাগরকে হারিয়ে নতুন সভাপতি হন চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন। তিনি এখনো দায়িত্বে রয়েছেন। অন্যদিকে, ভোটে জিতে সাধারণ সম্পাদক পদে হ্যাটট্রিক করলেও নির্বাচন আচরণবিধি ভঙ্গের দায়ে প্রার্থিতা বাতিল হয় চিত্রনায়ক জায়েদ খানের। ফলে নানা নাটকীয়তার পর উচ্চ আদালতের রায়ে সাধারণ সম্পাদকের চেয়ার দখলে নেন নিপুণ আক্তার।



















