ঢাকা, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬, ১:৩৩ অপরাহ্ন

প্রধানমন্ত্রীর কাছে মুরাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাইলেন হিরো আলম

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল বিতর্কিত মন্তব্য ও একটি ফোনকল ফাঁসের সূত্র ধরে তথ্য প্রতিমন্ত্রীর পদ হারানো ডা. মুরাদ হাসান বেশ বিপাকে রয়েছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ তাকে নিয়ে ট্রল করছেন। প্রতিমন্ত্রী থাকা অবস্থায় ডা. মুরাদ চিত্রনায়িকা মৌসুমী ও শাকিব খানকে নিয়েও বেফাঁস মন্তব্য করেছিলেন। শুধু তাই নয় সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচিত নাম হিরো আলমকে নিয়েও নানা কটূ কথা বলেছিলেন তিনি।

এবার সুযোগ বুঝে প্রতিমন্ত্রীর সেই বেফাঁস মন্তব্য নিয়ে প্রতিবাদী হয়ে উঠলেন হিরো আলম। নিজের ইউটিউব চ্যানেলে একটি ভিডিওতে ডা. মুরাদকে ধুয়ে দিলেন তিনি। তিনি বলেন, ‘সমালোচনা করাই ডা. মুরাদের কাজ। তিনি মনে করেন তিনিই একমাত্র শ্রেষ্ঠ ব্যক্তি, বাকি সবাই লোয়ার শ্রেণির লোক। তার মতে আমার গান নাকি লোয়ার শ্রেণির লোকদের কাছে শোভা পায়। আমার চেহারা নিয়েও কথা বলেছেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘ডা. মুরাদ অনেক দিন ধরে বড় বড় সব হিরো-হিরোইনদের নিয়ে বাজে মন্তব্য করে যাচ্ছন। মানুষ সবাই সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর সৃষ্টি। মানুষ মানুষকে যদি ঘৃণা করে তার চেয়ে বড় খারাপ কাজ আর নেই।’

গানের ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘আমি সঙ্গীতশিল্পী নই, আমি সখের বশে গান করি। গুলশান ১-এর যে অনুষ্ঠানের কথা তিনি বললেন, সে অনুষ্ঠানে তার সঙ্গে আমার দেখাই হয়নি। উনি মিথ্যা বলছেন কিনা- জানি না।’

ডা. মুরাদকে বহিষ্কার করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘উনাকে শুধু বহিষ্কার না, আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলকা শাস্তির ব্যবস্থা করা উচিৎ। কারণ তিনি নারী জাতিকে কলঙ্কিত করেছেন। ক্ষমতা পেয়ে তিনি কথায় কথায় ক্ষমতার বল দেখান, মেয়েদের জিম্মি করে ব্যবহার করেন।’

আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা না করলে অন্যান্য এমপি-মন্ত্রীদের সাহস আরও বেড়ে যাবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

হিরো আলম বলেন, ‘মানুষ বাড়লে মানুষের পতন নয়, এর প্রমাণ এই ডা. মুরাদ। আমার এবং অন্যান্যদের চেহারা নিয়ে তিনি যে মন্তব্য করেছেন তার জন্য আমি সাইবার নিরাপত্তা আইনে মামলা করব।’

প্রসঙ্গত একটি টিভি চ্যানেলের সাক্ষাৎকারমূলক অনুষ্ঠানে হিরো আলমকে নিয়ে কটূক্তি করেন ডা. মুরাদ হাসান। তিনি বলেন, “একদিন এক অনুষ্ঠানে এসে আমার সামনে গান গাইছিলো। গান শেষে আমি তাকে বললাম, ‘তুমি যে গান গাইতে পার না, তোমার কি কোনো লজ্জা-শরম নাই? গান গাইতে সুর, তাল, লয় লাগবে, কণ্ঠ লাগবে। তোমার চেহারা এবং কণ্ঠ আল্লাহ্‌র রহমতে এত সুন্দর, আমার সামনে গান গাওয়ার ধৃষ্টতা তুমি দেখিয়েছ! আমাদের সামনে না দেখিয়ে লোয়ার ক্লাসের যে শ্রেণিটা তোমাকে দেখে তাদের সামনে গিয়ে গান, গুলশান-বনানীতে এসে গান গেয়ো না’।”

নিউজটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

ট্যাগঃ