টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার টুয়েলভে বিষাদময় সময় কাটাচ্ছে বাংলাদেশ। টানা তিন ম্যাচ হেরে এখনও পর্যন্ত জয়ের দেখা পায়নি টাইগাররা। এরপরও সেমিফাইনালে যাওয়ার আশা আছে মাহমুদউল্লাহদের। এ জন্য বাংলাদেশের সামনে রয়েছে বেশ কঠিন এক সমীকরণ।
আর সম্ভাবনাটা আরও বেড়ে গেছে শনিবারের দুটি ম্যাচের ফলের পর। অস্ট্রেলিয়াকে উড়িয়ে দিয়ে ইংল্যান্ড এক অর্থে বাংলাদেশের সুবিধাই করে দিল। একই ঘটনা দিনের অন্য ম্যাচে। শ্রীলঙ্কার পরাজয়ের প্রার্থনা করতে হয়েছিল টাইগার সমর্থকদের। সেটিই হয়েছে। হাসারাঙ্গার ইতিহাস গড়া হ্যাটট্রিকের দিনেও দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে জয় পায়নি শ্রীলঙ্কা।
যে কারণে এখনও সেমিফাইনালের সম্ভাবনা শেষ হয়ে যায়নি মাহমুদউল্লাহদের। শ্রীলঙ্কা ও ইংল্যান্ডের কাছে হারের পর তৃতীয় ম্যাচেও ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে জয়ের খুব কাছে গিয়েও হেরে যায় বাংলাদেশ। তবে পরিসংখ্যান বলছে, সেমিফাইনালে খেলতে হলে বাকি দুই ম্যাচে জিততে হবে বাংলাদেশকে। এরপরও তাকিয়ে থাকতে হবে অন্যদের ম্যাচের জয়-পরাজয়ের দিকে। সেই সঙ্গে ইংল্যান্ড গ্রুপ ওয়ানে নিজেদের সব ম্যাচ জিততে হবে।
সেমিফাইনালে ওঠার সমীকরণে যেসব জয়ের দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে বাংলাদেশকে, তা একনজরে দেখে নেওয়া যাক—
প্রথমত অস্ট্রেলিয়ার ও দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে জিততে হবে বাংলাদেশকে। ইংল্যান্ডকে হারাতে হবে শ্রীলঙ্কা ও দক্ষিণ আফ্রিকাকে। আর ওয়েস্ট ইন্ডিজের জিততে হবে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে। আবার এই ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারতে হবে শ্রীলঙ্কার কাছে।

পুরো ঘটনাটা যদি এমন হয় তাহলে ১০ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ ওয়ান চ্যাম্পিয়ন হয়ে সেমিতে যাবে ইংল্যান্ড। আর বাকি সব ম্যাচ হেরে ৪ পয়েন্ট নিয়ে তলানিতে থাকবে দক্ষিণ আফ্রিকা। একইভাবে বাকি সব ম্যাচ হেরে ৪ পয়েন্ট থাকবে অস্ট্রেলিয়ারও।
শ্রীলঙ্কার এখন পয়েন্ট মাত্র ২। ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারালেও চারের বেশি পয়েন্ট হবে না লঙ্কানদের। একইভাবে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ তাদের পয়েন্ট ৪ করতে পারলেও লঙ্কানদের কাছে হারলে পয়েন্ট আর বাড়বে না।
অন্যদিকে দক্ষিণ আফ্রিকা ও অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে জিততে পারলে বাংলাদেশেরও পয়েন্ট হবে দক্ষিণ আফ্রিকা, ওয়েস্ট উইন্ডিজ শ্রীলঙ্কা ও অস্ট্রেলিয়ার সমান চার। সেক্ষেত্রে রানরেট কম-বেশির ওপর ভিত্তি করে সেমিফাইনালের টিকিট কাটার সৌভাগ্য অর্জন করতে পারে বাংলাদেশ।


















