যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর নৌ অবরোধ ও নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও অভিনব কৌশলে পরিশোধিত জ্বালানি (এলপিজি ও জেট ফুয়েল) রপ্তানি চালিয়ে যাচ্ছে ইরান। ওমান উপকূলে অন্য দেশের জাহাজের আড়ালে গভীর সমুদ্রে ‘জাহাজ থেকে জাহাজে’ জ্বালানি স্থানান্তরের মাধ্যমে এসব চালান বিদেশে পাচার করা হচ্ছে।
অর্থনৈতিক সংকট সামাল দিতে ইরান এই বিকল্প পথ বেছে নিলেও, মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় দেশটির আন্তর্জাতিক বিমান যোগাযোগ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। সরাসরি ফ্লাইট বন্ধ থাকায় দুই ঘণ্টার দুবাই যাত্রা এখন ইস্তাম্বুল ঘুরে ১৮ ঘণ্টায় ঠেকেছে, টিকিটের দামও ১০০-২০০ ডলার থেকে লাফিয়ে হাজার ডলার ছাড়িয়েছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ নাগরিক, ব্যবসায়ী ও রোগীরা।
এরই মধ্যে হরমুজ প্রণালি ও পারস্য উপসাগরে সামরিক উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে স্থলবাহিনী বা পারমাণবিক হামলার কথা নাকচ করলেও, দেশটির ওপর মার্কিন সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে বড় অ-পারমাণবিক বোমা ‘মাদার অব অল বোম্বস’ (এমওএবি) ব্যবহারের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেননি।
অন্যদিকে, গাজা ও মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধকে পরিবেশের ওপর ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ বা ‘ইকোসাইড’ বলে আখ্যা দিয়ে একে আন্তর্জাতিক অপরাধ বলেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তবে যুক্তরাষ্ট্রের হুমকি মোকাবিলায় ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী বলে দাবি করেছে দেশটির সেনাবাহিনী।



















