মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর জানিয়েছে, নিষেধাজ্ঞার আওতায় আসা ভারতের চারটি প্রতিষ্ঠান হলো- পোর্টিজ পার্টনার্স এলএলপি, সদাশিবা ওভারসিজ লিমিটেড, পিপি সফটটেক প্রাইভেট লিমিটেড এবং প্রকৃতিজ ইনফ্রা ইমপেক্স ইন্ডিয়া প্রাইভেট লিমিটেড। এ ছাড়া তালিকায় রয়েছেন পোর্টিজ পার্টনার্সের দুই মনোনীত অংশীদার হরিশ রামচন্দ্র রাঙ্গি ও ইন্দ্রিসমিয়া আশরাফমিয়া শেখ এবং পিপি সফটটেকের প্রশান্ত গর্গ।
মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, কাস্টমস ব্রোকার হিসেবে কাজ করা পোর্টিজ পার্টনার্স ইরান থেকে ভারতে পেট্রোকেমিক্যাল পণ্য আমদানিতে সহায়তা করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
সদাশিবা ওভারসিজের বিরুদ্ধে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে প্রায় ৬ কোটি ৯০ লাখ ডলারের ইরানি পেট্রোলিয়াম পণ্য আমদানির অভিযোগ করেছে ওয়াশিংটন। পিপি সফটটেক ও প্রকৃতিজ ইনফ্রা যথাক্রমে প্রায় ২ কোটি ৫০ লাখ ডলার মূল্যের ইরানি পেট্রোলিয়াম পণ্য আমদানি করেছে বলেও বিবৃতিতে দাবি করা হয়েছে।
মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর জানিয়েছে, ইরান থেকে পেট্রোকেমিক্যাল পণ্য কেনা, সংগ্রহ, বিক্রি, পরিবহন বা বিপণনের ক্ষেত্রে ‘গুরুত্বপূর্ণ লেনদেনে’ জেনেশুনে জড়িত থাকার অভিযোগে এসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগ ৬০ ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও জাহাজের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। ভারতের এসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানও সেই নিষেধাজ্ঞার তালিকার অংশ।



















