দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) কর্তৃপক্ষ ১৭ জন কর্মীর চাকরির অবসান নিয়ে আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দিয়েছে। ডিএসই জানিয়েছে, চাকরির অবসানের সিদ্ধান্তটি কোনো আকস্মিক বা শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নয়; বরং দীর্ঘমেয়াদি সাংগঠনিক রূপান্তর কার্যক্রমের অংশ হিসেবে আইন ও প্রতিষ্ঠানের নিয়মনীতি অনুসরণ করেই নেওয়া হয়েছে।
রবিবার (২ আগস্ট) ডিএসইর উপ-মহাব্যবস্থাপক মো. শফিকুর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিশ্বের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মতো প্রয়োজনের ভিত্তিতে কর্মীর চাকরির অবসান একটি স্বীকৃত ও আইনসম্মত ব্যবস্থাপনা প্রক্রিয়া। ব্যবসায়িক বাস্তবতা, সাংগঠনিক পুনর্গঠন, দক্ষতা বৃদ্ধি, প্রযুক্তিগত পরিবর্তন এবং ভবিষ্যৎ কৌশলগত প্রয়োজন বিবেচনায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান সময় অনুযায়ী এ ধরনের সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে। দেশের শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান হিসেবে কার্যক্রমকে আরও গতিশীল, আধুনিক ও ভবিষ্যৎ উপযোগী করতে ২০২২ সাল থেকে দীর্ঘমেয়াদি সাংগঠনিক রূপান্তর কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে কিছু পদে পরিবর্তন আনা হয়েছে এবং সীমিত সংখ্যক কর্মীর চাকরির অবসান করা হয়েছে।
এ ছাড়া কর্মীদের চাকরির মেয়াদ অনুযায়ী ফাইনাল সেটেলমেন্টের আওতায় প্রভিডেন্ট ফান্ড, গ্র্যাচুইটি, অব্যবহৃত ছুটির নগদায়নসহ অন্যান্য সব পাওনা পরিশোধ করা হবে বলেও জানিয়েছে ডিএসই। প্রতিষ্ঠানটি আরও জানায়, বিদায়ী কর্মীদের সম্মান ও মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রেখে পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। তাদের অভিজ্ঞতা সনদ প্রদান এবং প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক সহায়তার বিষয়েও ডিএসই সহযোগিতা করবে।
ডিএসইর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রতিষ্ঠানটি আইন, সুশাসন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও মানবিক মূল্যবোধের ভিত্তিতে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। বিদায়ী কর্মীদের ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের সফলতা কামনা করে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ডিএসই একটি শক্তিশালী, দায়িত্বশীল ও ভবিষ্যতমুখী প্রতিষ্ঠান হিসেবে তার কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।



















