ঢাকা, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬, ৯:১৮ অপরাহ্ন

ছাঁটাই হওয়া কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পুনর্বহালের দাবিতে মানববন্ধন

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ছাঁটাই হওয়া সব কর্মকর্তা-কর্মচারীরা পুনর্বহালের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন।

আজ রবিবার রাজধানীর মতিঝিলে ডিএসইর পুরাতন ভবনের সামনে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

মানববন্ধনে ডিএসইর চাকরিচ্যুত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অবিলম্বে তাদের চাকরিতে পুনর্বহাল এবং চাকরিচ্যুতির ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানান।

এ সময় চাকরিচ্যুত ডিএসইর উপ-মহাব্যবস্থাপক হোসনে আরা পারভীন জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরে তিনি বিভিন্ন বিভাগে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং তার হাত দিয়েই প্রতিষ্ঠানের অধিকাংশ কর্মকর্তা-কর্মচারীর নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছে। কর্মরত অবস্থায় হঠাৎ করেই তাকে চাকরিচ্যুতির চিঠি দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে পরিচালনা পর্ষদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা এটিকে ব্যবস্থাপনার সিদ্ধান্ত বলে উল্লেখ করেন।

অন্যদিকে ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্তের কথা জানায়। নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসির সঙ্গে যোগাযোগ করলে এটিকে ডিএসইর অভ্যন্তরীণ বিষয় হিসেবে উল্লেখ করা হয়। এ অবস্থায় আমরা এখন কোথায় যাব—বলে প্রশ্ন রাখেন তিনি।

ডিএসইর আরেক উপ-মহাব্যবস্থাপক আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, কোনো ধরনের পূর্বঘোষণা বা কারণ ব্যাখ্যা ছাড়াই তাদের চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাদের দাপ্তরিক নেটওয়ার্ক থেকেও বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়েছে। চাকরি বহালের আবেদন করলেও কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তা সম্ভব নয়। ৩০ বছরের চাকরি জীবনে এমন ঘটনা আগে কখনও দেখেননি।

‘সহকর্মীদের অন্যায়ভাবে চাকরিচ্যুত করার প্রতিবাদেই তারা রাস্তায় নেমেছেন। এ বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে প্রধানমন্ত্রী, অর্থসচিব ও বিএসইসির কাছে আবেদন করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত ১৭ জনকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে এবং আরও ১৪০ জনের একটি তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। ধাপে ধাপে ওই ব্যক্তিদেরও চাকরিচ্যুত করা হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন’— ডিএসইর উপ-মহাব্যবস্থাপক আব্দুল লতিফ।

তার মতে, বিদ্যমান কর্মকর্তাদের বাদ দিয়ে পছন্দের লোকজনকে নিয়োগ দেওয়ার উদ্দেশ্যেই এই প্রক্রিয়া চালানো হচ্ছে। প্রথমে ব্যয় সংকোচনের অংশ হিসেবে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে মনে হলেও পরবর্তীতে নতুন নিয়োগ কার্যক্রম শুরু হওয়ায় সেই ধারণা আর সঠিক বলে মনে হচ্ছে না।

নিউজটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

ট্যাগঃ