চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনার অভয়াশ্রম এলাকায় নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জাটকা ধরার অপরাধে ১৭ জেলেকে আটক করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৪ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত
বাকী ৪ জন অপ্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ায় মুচলেকা রেখে ছেড়ে দেওয়া হয়।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) সকালে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন সদর উপজেলা সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান।
কোস্টগার্ড চাঁদপুর স্টেশনে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. রহমত উল্লাহ, তানভীর রাব্বী, সাজিদ হক ও দিপংকর বাড়ৈ।
কারাদণ্ডপ্রাপ্ত জেলেরা হলেন-মো. বিল্লাল শেখ, সোবহান হাওলাদার, মো. মনু মিয়া হাওলাদার, মো. মিরাজ হোসেন, কালিয়া বেপারী, জাকির দেওয়ান, মো. দুলাল, মিন্টু খা, মো. লিটন, অমৃত লাল মল্লিক, মিঠুন মল্লিক, মো. হাবিব মাঝি, মো. আবুল বাসার ও মো. চাঁন মিয়া শেখ।

সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান বলেন, জাটকা সংরক্ষণে শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) বিকাল ৪টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত জেলা প্রশাসন, মৎস্য অধিদপ্তর, কোস্ট গার্ড ও নৌ পুলিশের সহযোগিতায় মেঘনা নদীর অভয়াশ্রম এলাকার সদরের আনন্দ বাজার, রনাগোয়াল, হরিসভা, বহরিয়া, হরিণা ও চরমুকুন্দী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়।
এ সময় জাটকা ধরা অবস্থায় হাতে নাতে ১৭ অসাধু জেলে আটক, তিনটি ইঞ্জিন চালিত কাঠের নৌকা, ১০ হাজার মিটার কারেন্টজাল ও ৫ কেজি জাটকা জব্দ করা হয়।
আটক জেলেদের মধ্যে পৃথক চারটি ভ্রাম্যমাণ আদালতে ১৩ জনকে ১৫ দিন করে কারাদণ্ড ও ২০০টাকা করে জরিমানা এবং একজনকে সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ২০০টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।
জব্দকৃত জাল ও নৌকা কোস্টগার্ড হেফাজতে রয়েছে এবং জব্দ জাটকা এতিমখানায় বিতরণ করা হয়েছে বলে জানান এই কর্মকর্তা।
অভিযানে চাঁদপুর সদর উপজেলা জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা মির্জা ওমর ফারুক, সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা, কোস্ট গার্ড ও নৌ পুলিশের পৃথক দল সার্বিক সহযোগিতা করে।


















