ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ১:৩৭ অপরাহ্ন

দুপুরে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দলে থাকা ক্রিকেটারদের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ইস্যুতে তোলপাড় দেশের ক্রিকেটমহল। বাংলাদেশ ও আইসিসি উভয়েই নিজেদের অবস্থানে অনড়। ভারতের মাটিতে বাংলাদেশ খেলতে যাবে না আগেই জানিয়েছিল। শ্রীলঙ্কায় নিজেদের ম্যাচ সরিয়ে নেওয়ার দাবি জানালেও আইসিসির সোজাসাপ্টা জবাব– ভারতের মাটিতে না খেললে অন্য দলকে যুক্ত করা হবে। যা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে বাংলাদেশের হাতে আছে স্রেফ আজকের (বৃহস্পতিবার) দিনটা।

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে আজ দুপুরে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দলে থাকা ক্রিকেটারদের সঙ্গে একটি পাঁচ তারকা হোটেলে বৈঠকে বসবেন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল। ভারতের মাটিতে গিয়ে খেলা কিংবা না খেলার সিদ্ধান্তসহ বিশ্বকাপ ইস্যুতে নিজেদের অবস্থান নিয়ে সেখানে আলোচনার কথা রয়েছে। এর আগে বুধবার রাতেই বিসিবি সভাপতিসহ আরও কয়েকজন দেখা করেছেন ক্রীড়া উপদেষ্টার সঙ্গে।

আইসিসির পক্ষ থেকে বাংলাদেশের ভেন্যু সরানোর আবেদন প্রত্যাখ্যানের কয়েক ঘণ্টা পরও বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম আশা হারাননি। বাংলাদেশ এখনও বিশ্বকাপে অংশ নিতে পারবে বলে বিশ্বাস তার। তিনি আশাবাদী, আইসিসি তাদের মন পাল্টাবে এবং ভারত থেকে ম্যাচ সরিয়ে নেবে। বুলবুল বলেন, ‘আমি আইসিসির কাছ থেকে কোনো অলৌকিক কিছুর আশা করছি। কে না চায় বিশ্বকাপ খেলতে? আইসিসির প্রেস রিলিজের পর আমরা আসলে কোনো মন্তব্য করতে পারি না। মিটিংটা দেড় ঘণ্টা ধরে চলেছিল। ভোট শুরুর আগে আমরা আইসিসি বোর্ডকে আমাদের সিদ্ধান্তের কারণগুলো ব্যাখ্যা করেছি। আমরা ভোটাভুটিতে যেতে চাইনি। আমরা সরে দাঁড়িয়েছিলাম।’

এদিকে, বাংলাদেশের বিশ্বকাপ নিয়ে অনিশ্চয়তার এমন মুহূর্তে অবশ্য সরকারকে চাপ দিতে চান না বুলবুল, ‘আমি সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে চাই না। আমরা জানি ভারত আমাদের জন্য নিরাপদ নয়। আমরা শ্রীলঙ্কায় খেলার অবস্থানেই অনড় আছি। আমি জানি আইসিসি আমাদের মানা করে দিয়েছে, তবে আমরা সরকারের সাথে আরও একবার কথা বলব। আমি সরকারের মতামত আইসিসিকে জানাব। একটি সরকার যখন সিদ্ধান্ত নেয়, তখন তারা কেবল খেলোয়াড়দের কথা ভাবে না, সবার কথা বিবেচনা করে।’

এর আগে বুধবর বাংলাদেশের ভারতে বিশ্বকাপে না খেলার অবস্থান নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানতে আইসিসি সদস্য দেশগুলোকে নিয়ে ভার্চুয়ালি বৈঠক করে। যেখানে বাংলাদেশ ছাড়া কেবল পাকিস্তান ভারতে গিয়ে খেলতে না চাওয়ার পক্ষে ভোট দেয়। অর্থাৎ, বাকিদের অবস্থান ছিল বাংলাদেশের বিপক্ষে। ফলে পিসিবির সমর্থনও আইসিসির অবস্থান টলাতে পারেনি। আইসিসির গভর্নিং বডি বাংলাদেশকে আরও ২৪ ঘণ্টার শেষ সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে তাদের সিদ্ধান্ত জানাতে। একইসঙ্গে সংস্থাটি ভারতে নিরাপত্তাজনিত কোনো উদ্বেগের কারণ নেই বলেও জানিয়েছে।

নিউজটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

ট্যাগঃ