ঢাকা, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ১:১৯ অপরাহ্ন

ভোটের দিন ফেসবুক বন্ধের প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা

আগামী ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন ঘিরে পুরোদমে প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। অন্যদিকে, বিএনপি-জামায়াতসহ বিরোধীদলগুলো নির্বাচনী তফসিল প্রত্যাখ্যান করে হরতাল-অবরোধসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছে। বিপরীতে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগে চলছে নির্বাচনী উৎসব। এরইমধ্যে মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু করেছে। নির্বাচনে অংশ নেবে কিনা এখনো খোলাসা না করলেও মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু করেছে জাতীয় পার্টি।

এদিকে, নির্বাচনের সময় যেনো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে কোনো গুজব ছড়াতে না পারে তা নিয়ে ভাবছে নির্বাচন কমিশন। এরইমধ্যে জাতীয় নির্বাচনের ভোট ঘিরে ফেসবুকে অপপ্রচার বন্ধের বিষয়ে গেল আগস্টে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমটির মূল কোম্পানি মেটা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠক করে নির্বাচন কমিশন। ভোটের দিন কেউ যাতে অপপ্রচার, বিদ্বেষ, সহিংসতা ও বিভ্রান্তি ছড়াতে না পারে, সে বিষয়ে আলোচনা হয়।

ওই বৈঠকে মেটা কর্তৃপক্ষ বলেছে, নির্বাচনের সময় অপপ্রচাররোধে তারা কাজ করতে চায়। এ নিয়ে দুই পক্ষের আরেকটি বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।

এদিকে, ভোটের দিন গুজব কিংবা বিশৃঙ্খলা ছড়াতে না পারে সেজন্য ভোটের দিন ফেসবুক বন্ধ রাখার প্রস্তাব দিয়েছেন কয়েকজন সচিব। প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়ালের সভাপতিত্বে ১ নভেম্বর রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় এ প্রস্তাব দেয়া হয়।

এ ব্যাপারে নির্বাচন কমিশনের অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ বলেন, ভোটের দিন ফেসবুক বন্ধ রাখার মতামত এসেছে। তবে বিষয়ে আরও আলোচনা হবে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বৈঠকে উপস্থিত একজন সচিব গণমাধ্যমে জানান, ভোটের দিন ঘটনাকে বিকৃতি করে ভোটারদের বিভ্রান্ত করতে পারে গুজব রটনাকারীরা। সে জন্য ওই সভায় কয়েকজন সচিব ফেসবুক বন্ধের পক্ষে মতামত দিয়েছেন। তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে নির্বাচন কমিশন।

আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক সূত্রে জানা যায়, পিআইডির প্রধান তথ্য কর্মকর্তা শাহেনুর মিয়া ফেসবুক বন্ধের বিষয়টি তুলে ধরলে কয়েকজন সচিব এ প্রস্তাবের পক্ষে মতামত দেন।

নিউজটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

ট্যাগঃ