যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে অগ্রাধিকার সুবিধা চায় বাংলাদেশ। ওয়াশিংটনে ইউএস-বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন ফোরাম এগ্রিমেন্ট (টিআইসিএফএ)’র ষষ্ঠ বৈঠকে এ নিয়ে আলোচনা হয়।
আজ বুধবার (৭ ডিসেম্বর) এই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।
সূত্র জানায়, বৈঠকে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেন বাণিজ্য সচিব তপন কান্তি এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্ব করেন দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক অ্যাসিস্ট্যান্ট ইউএস ট্রেড রিপ্রেজেন্টেটিভ (ইউএসটিআর) ক্রিস্টোফার সারাহ।
বৈঠকে সারাহ বলেন, বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক অগ্রগতি উভয় দেশের জন্য অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশ ভালো।
বৈঠকে আলোচিত প্রধান ক্ষেত্রগুলো হলো— যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের অগ্রাধিকার ভিত্তিক প্রবেশাধিকার, মার্কিন তুলা-ভিত্তিক আরএমজির উৎপাদন বণ্টন, বাণিজ্য ও জলবায়ু, মেধা সম্পত্তি অধিকার, মানসম্পন্ন সার্টিফিকেশন অবকাঠামোর জন্য প্রযুক্তিগত সহযোগিতা, শ্রম সমস্যা এবং আইডিএফসি অর্থায়ন।

বাণিজ্য সচিব বলেন, অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশ এখন যুক্তরাষ্ট্রে তার পোশাক রপ্তানিতে সর্বোচ্চ শুল্ক প্রদান করে, যা মার্কিন বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের টিকে থাকা দুরূহ করে তুলতে পারে।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি করা মার্কিন তুলা দিয়ে তৈরি পোশাক রপ্তানির ওপর ‘শূন্য’ শুল্কের প্রস্তাব করেছে।
মার্কিন প্রতিনিধি দলের প্রধান সহকারী ইউএসটিআর উইলসন এই বিষয়ে আরো আলোচনা চালিয়ে যেতে সম্মত হয়েছেন।
মার্কিন পক্ষ বাংলাদেশে মার্কিন বিনিয়োগের জন্য মুনাফা প্রত্যাবাসন সহজ করার অনুরোধ জানালে, বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল ঢাকায় ফিরে বিষয়টি বিবেচনা করার আশ্বাস দিয়েছেন।
এছাড়াও আলোচনায় উভয়পক্ষই প্রস্তাবিত ডাটা সুরক্ষা আইন, কৃষিতে বায়োটেকনোলজি, ইউএসএফডিএ-তে বাংলাদেশি ওষুধের নিবন্ধন সহজীকরণ, বাংলাদেশের বাদাম রপ্তানির ওপর শুল্ক হ্রাস এবং বাংলাদেশের বীজ বাজারে মার্কিন প্রবেশাধিকারের জন্য বীজ আইনের বিধানকে সহজ করার বিষয়েও আলোচনা করেন।
উভয়পক্ষই ২০২৩ সালের অক্টোবরে ঢাকায় ৭তম টিআইসিএফএ বৈঠক করতে সম্মত হয়।


















