বর্তমানে পোশাকের একক বাজার হিসেবে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় গন্তব্য যুক্তরাষ্ট্র। দেশটি চলতি বছরের জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রথম নয় মাসে বাংলাদেশ থেকে ৭৫৫ কোটি ডলারেরও বেশি পণ্য আমদানি করেছে। আমদানি বেড়েছে ৫০ দশমিক ৯৭ শতাংশ। চলতি সপ্তাহে প্রকাশিত যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য বিভাগের অধীন অফিস অব টেক্সটাইলস অ্যান্ড অ্যাপারেলসের (ওটিইএক্সএ) পরিসংখ্যানে এ চিত্র প্রকাশ পেয়েছে।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে ৭৫৫ কোটি ৩৭ লাখ ৩৬ হাজার ৫৫৬ ডলারের পোশাক আমদানি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। গত বছরের একই সময়ে আমদানির অর্থমূল্য ছিল ৫০০ কোটি ৩২ লাখ ৭৫ হাজার ৭১৬ ডলার।
এ বিষয়ে পোশাক খাতসংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, মূলত করোনা মহামারী থেকে ঘুরে দাঁড়ানো এবং ভোক্তাদের কেনাকাটা বৃদ্ধির ফলে খুচরা বিক্রি স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি বৃদ্ধি পায়। তবে মূল্যস্ফীতি এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে মন্দার কারণে এ বছরের শেষ প্রান্তিকে প্রান্তিকে প্রবৃদ্ধির এ ঊর্ধ্বমুখী ধারা কতটা টিকে থাকবে সেটি ভাবনার বিষয়। অস্বাভাবিক দীর্ঘ গ্রীষ্মের কারণে শীতের পোশাক চাহিদাও তুলনামূলক কম।
পোশাক পণ্য প্রস্তুত ও রফতানিকারকদের সংগঠন বিজিএমইএ সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাংলাদেশের মোট পোশাক রফতানি সেপ্টেম্বর পর্যন্ত উল্লেখযোগ্য হারে প্রবৃদ্ধি বজায় রেখেছিল। ফলে বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের আমদানি সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ইতিবাচক প্রবণতা বজায় রেখেছে। কিন্তু অর্থনৈতিক অস্থিরতার কারণে খুচরা বিক্রিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়ায় বর্তমানে ক্রেতারা সতর্ক অবস্থানে আছেন।



















