ঢাকা, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯:০৬ অপরাহ্ন

কঙ্গোতে মর্মান্তিক নৌকাডুবি, নিহত অন্তত ৪১

মধ্য আফ্রিকার দেশ ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোতে (ডিআর কঙ্গো) টাঙ্গানিকা হ্রদে একটি নৌকা ডুবে অন্তত ৪১ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ৪৯ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজ অন্য যাত্রীদের উদ্ধারে অভিযান চলছে।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) তানজানিয়ার কিগোমা বন্দর থেকে ডিআর কঙ্গোর কালেমি শহরে যাওয়ার পথে মাপেরা গ্রামের কাছে নৌকাটি ডুবে যায়। নৌকাটিতে প্রায় ১০০ জন যাত্রী ও পণ্য ছিল বলে জানিয়েছেন টাঙ্গানিকা প্রদেশের পরিবহনমন্ত্রী নরিস মুলঙ্গোয়ি।

অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে নরিস মুলঙ্গোয়ি জানান, দুর্ঘটনার পর নিখোঁজ যাত্রীদের খুঁজে বের করতে উদ্ধার অভিযান চলছে। নৌকাটি কিগোমা থেকে কালেমির উদ্দেশে যাচ্ছিল। দুর্ঘটনার কারণ এখনো স্পষ্ট নয়।

উদ্ধার হওয়া যাত্রীদের একজন অ্যানি মোয়োনি জাতিসংঘ-সমর্থিত কঙ্গোর সম্প্রচারমাধ্যম রেডিও ওকাপিকে জানান, রাত প্রায় ১টার দিকে ঘুমন্ত যাত্রীদের ঘুম ভেঙে যায়। তখন তারা দেখতে পান, নৌকাটি একদিকে কাত হয়ে গেছে।

অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস জানিয়েছে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ডিআর কঙ্গোতে নৌকাডুবির ঘটনায় শত শত মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। দেশটির অনেক নৌযানে অতিরিক্ত যাত্রী ও পণ্য পরিবহন করা হয় এবং পর্যাপ্ত লাইফ জ্যাকেটও থাকে না। দুর্গম এলাকায় অবকাঠামোর ঘাটতির কারণে দেশটির অনেক মানুষের জন্য নৌপথে যাতায়াতই সহজলভ্য যোগাযোগের মাধ্যম।

গত এক মাসেরও কম সময়ের মধ্যে কিগোমা-কালেমি নৌপথে এটি দ্বিতীয় বড় দুর্ঘটনা। গত ২৮ আগস্ট কিগোমা বন্দরে জ্বালানি তোলার সময় কঙ্গোর নৌযান এমভি প্যাসিফিকে আগুন ধরে যায় এবং পরে বিস্ফোরণ ঘটে। রেডিও ওকাপির তথ্য অনুযায়ী, ওই ঘটনায় নৌযানটির ছয়জন কর্মী নিহত এবং একজন নিখোঁজ হন।

এর আগে গত জুলাইয়ে ডিআর কঙ্গোর মধ্যাঞ্চলে রাষ্ট্রীয় পরীক্ষা শেষে বাড়ি ফেরার সময় শিক্ষার্থীদের বহনকারী একটি কাঠের নৌকা ডুবে অন্তত ২০ জন নিহত হন।

নিউজটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

ট্যাগঃ