রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ৩২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। আজ সোমবার সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করে ডিএমপি।
ডিএমপি জানায়, গতকাল রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে এঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) ও পরদিন শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় মিছিলের চেষ্টা এবং মিছিল করেন আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীরা।
এর মধ্যে গত বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর উত্তরা থেকে মিছিলের প্রস্তুতির সময় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনের আরও চার নেতা–কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে উত্তরা পশ্চিম থানা-পুলিশ। ডিএমপির গণমাধ্যম ও জনসংযোগ বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন জুনায়েদ মৃধা (১৯), রাকিবুল হাসান (২৩), সাজ্জাদ হোসেন (১৯) ও মো. আব্দুল্লাহ (১৯)।
উত্তরা পশ্চিম থানার বরাত দিয়ে এই সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বৃহস্পতিবার বেলা সোয়া ১টার দিকে উত্তরা পশ্চিম থানার আবদুল্লাহপুর ফ্লাইওভারের নিচে কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতা-কর্মীরা মিছিলের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। পরে উত্তরা পশ্চিম থানা–পুলিশের একটি দল সেখানে গিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করে। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে মিছিলের একটি ব্যানার জব্দ করা হয়।

পরদিন শুক্রবার শুক্রবার রাজধানীর গুলশানে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীদের ঝটিকা মিছিল হয়েছে। মিছিল থেকে দুজনকে আটক করে পুলিশ। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে পাঁচটি ককটেল উদ্ধার করার কথাও জানিয়েছে পুলিশ। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—আবদুর রহিম (৪৯) ও মো. আরাফাত (২০)।
এ বিষয়ে গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. দাউদ হোসেন গণমাধ্যমে বলেন, শুক্রবার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে গুলশান থানার ৩ নম্বর সড়কের একটি গলিতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের ১৫০-২০০ নেতা-কর্মী জড়ো হন। মিছিলের চেষ্টা করেন। পুলিশ তাঁদের ছত্রভঙ্গ করতে গেলে মিছিলকারীদের পক্ষ থেকে পুলিশের দিকে ককটেল নিক্ষেপ করা হয়। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ দুটি রাবার বুলেট ছুড়ে মিছিলটি ছত্রভঙ্গ করে দেয়। মিছিলে অংশ নেওয়া দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁদের কাছ থেকে পাঁচটি ককটেল উদ্ধার করা হয়।


















