২০০২ সালের আলোচিত মডেল সৈয়দা তানিয়া মাহবুব তিন্নি হত্যা মামলায় জাতীয় পার্টির নেতা ও সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম ফারুক অভিকে খালাস দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) বিকেলে ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মোছা. শাহীনুর আক্তার এ রায় ঘোষণা করেন।
রায় ঘোষণার সময় আদালতে তিন্নির পরিবারের কেউ উপস্থিত ছিলেন না।
মামলার পটভূমি
২০০২ সালের ১০ নভেম্বর কেরানীগঞ্জের বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু-১-এর নিচে তিন্নির মরদেহ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় কেরানীগঞ্জ থানা-পুলিশ একটি মামলা করে। তদন্ত শেষে ২০০৮ সালের ৮ নভেম্বর গোলাম ফারুক অভির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ।
অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, গোলাম ফারুক অভির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের জেরে তিন্নি তার স্বামীকে তালাক দেন। তবে, তিন্নিকে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানান অভি। তিন্নি এ বিষয়ে তথ্য ফাঁস করার হুমকি দিলে ক্ষিপ্ত হয়ে অভি তাকে হত্যা করে লাশ গুমের উদ্দেশ্যে সেতুর কাছে ফেলে রাখেন বলে অভিযোগ ওঠে।
বিচার ও রায়ের বিবরণ
২০১০ সালের ১৪ জুলাই ঢাকার সপ্তম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত অভির বিরুদ্ধে বিচার শুরুর আদেশ দেন। মামলায় ৪১ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৮ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়।

অভি কানাডায় পলাতক থেকে তাঁর আইনজীবীর মাধ্যমে একটি চিঠি পাঠিয়ে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন। তিনি বলেন, ষড়যন্ত্রমূলকভাবে তাকে এই মামলায় জড়ানো হয়েছে এবং মামলার এজাহারে তার নাম ছিল না।
আদালতের পর্যবেক্ষণ
সাক্ষ্যপ্রমাণের অভাবে এবং অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত না হওয়ায় আদালত অভিকে খালাস দেন।


















