ব্রাউজিং হিস্ট্রি ও আগ্রহের ভিত্তিতে দেখানো বিজ্ঞাপন এড়াতে কিছু কার্যকর পদক্ষেপ।
টার্গেটেড অ্যাড কেন হয়?
টার্গেটেড অ্যাড হলো এমন বিজ্ঞাপন, যা ব্যবহারকারীর ব্রাউজিং হিস্ট্রি, সার্চ ইতিহাস এবং আগ্রহের ওপর ভিত্তি করে প্রদর্শিত হয়। উদাহরণস্বরূপ, কেউ যদি কোনো ওয়েবসাইটে গিয়ে জুতা সার্চ করে, তার পরবর্তী ওয়েবসাইট বা সোশ্যাল মিডিয়ায় তাকে সেই জুতার বিজ্ঞাপন দেখা শুরু হয়। এটি অনেক সময় বিরক্তিকর হয়ে উঠতে পারে। তবে কয়েকটি সহজ পদ্ধতির মাধ্যমে এসব বিজ্ঞাপনের প্রভাব কমানো সম্ভব।
১. ব্রাউজারের কুকি ও ক্যাশে পরিষ্কার করুন
ব্রাউজারের কুকি ও ক্যাশে অনেক সময় ব্যক্তিগত তথ্য সংরক্ষণ করে, যা বিজ্ঞাপন ট্র্যাকিংয়ের জন্য কাজে লাগে। তাই:
- ব্রাউজারের প্রাইভেসি সেকশন-এ গিয়ে কুকি ও ক্যাশে পরিষ্কার করুন।
২. ভিপিএন ব্যবহার করুন
ভিপিএন (ভার্চুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্ক) ব্যবহার করলে ব্যক্তিগত তথ্য গোপন থাকবে এবং ওয়েবসাইট ও বিজ্ঞাপনদাতাদের জন্য ট্র্যাকিং কঠিন হবে।
- তবে নিশ্চিত করুন, বাংলাদেশে ভিপিএনের ব্যবহার বৈধ।
৩. প্রাইভেসি-ফোকাসড ব্রাউজার ব্যবহার করুন
প্রাইভেসি ফোকাসড ব্রাউজার ব্যবহার করলে ব্রাউজিং ডেটা কোম্পানির কাছে পৌঁছানো সীমিত হয়।

- সুপারিশকৃত ব্রাউজারগুলো: ফায়ারফক্স, ব্রেভ, সাফারি বা ডাকডাকগো।
৪. অ্যাড ব্লকার এক্সটেনশন ইনস্টল করুন
অ্যাড ব্লকার একটি সফটওয়্যার বা এক্সটেনশন, যা ওয়েবসাইটে প্রদর্শিত বিজ্ঞাপন, ট্র্যাকার ও পপআপ বন্ধ করে দেয়।
৫. অনলাইন অ্যাড নেটওয়ার্ক থেকে অপ্ট-আউট করুন
গুগল, ফেসবুকের মতো প্ল্যাটফর্মের বিজ্ঞাপন ট্র্যাকিং বন্ধ করতে:
- অপ্ট-আউট অপশন-এ ক্লিক করুন।
৬. শপিংয়ের সময় অ্যাকাউন্ট থেকে সাইন আউট করুন
গুগল, অ্যামাজন বা ফেসবুকের মতো অ্যাকাউন্টে লগইন করলে প্ল্যাটফর্মগুলো তথ্য ট্র্যাক করে।
- কেনাকাটার পর অ্যাকাউন্ট থেকে সাইন আউট করুন।
৭. ডিসপোজেবল ই-মেইল অ্যাড্রেস ব্যবহার করুন
অনলাইন শপিংয়ের সময় সাইন আপে ডিসপোজেবল ই-মেইল অ্যাড্রেস ব্যবহার করুন।
- উদাহরণ: ইয়াহু, সিম্পল লগইন, প্রোটন মেইল।
- এটি আপনার প্রধান ই-মেইল অ্যাকাউন্টের তথ্যের সুরক্ষা নিশ্চিত করবে।
এভাবে কমাতে পারেন টার্গেটেড বিজ্ঞাপনের প্রভাব
যদিও টার্গেটেড অ্যাড পুরোপুরি বন্ধ করা সম্ভব নয়, তবে উপরিউক্ত উপায়গুলো অনুসরণ করলে তা থেকে অনেকাংশে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।


















