ব্রাউজিং হিস্ট্রি ও আগ্রহের ভিত্তিতে দেখানো বিজ্ঞাপন এড়াতে কিছু কার্যকর পদক্ষেপ।
টার্গেটেড অ্যাড হলো এমন বিজ্ঞাপন, যা ব্যবহারকারীর ব্রাউজিং হিস্ট্রি, সার্চ ইতিহাস এবং আগ্রহের ওপর ভিত্তি করে প্রদর্শিত হয়। উদাহরণস্বরূপ, কেউ যদি কোনো ওয়েবসাইটে গিয়ে জুতা সার্চ করে, তার পরবর্তী ওয়েবসাইট বা সোশ্যাল মিডিয়ায় তাকে সেই জুতার বিজ্ঞাপন দেখা শুরু হয়। এটি অনেক সময় বিরক্তিকর হয়ে উঠতে পারে। তবে কয়েকটি সহজ পদ্ধতির মাধ্যমে এসব বিজ্ঞাপনের প্রভাব কমানো সম্ভব।
ব্রাউজারের কুকি ও ক্যাশে অনেক সময় ব্যক্তিগত তথ্য সংরক্ষণ করে, যা বিজ্ঞাপন ট্র্যাকিংয়ের জন্য কাজে লাগে। তাই:
ভিপিএন (ভার্চুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্ক) ব্যবহার করলে ব্যক্তিগত তথ্য গোপন থাকবে এবং ওয়েবসাইট ও বিজ্ঞাপনদাতাদের জন্য ট্র্যাকিং কঠিন হবে।
প্রাইভেসি ফোকাসড ব্রাউজার ব্যবহার করলে ব্রাউজিং ডেটা কোম্পানির কাছে পৌঁছানো সীমিত হয়।
অ্যাড ব্লকার একটি সফটওয়্যার বা এক্সটেনশন, যা ওয়েবসাইটে প্রদর্শিত বিজ্ঞাপন, ট্র্যাকার ও পপআপ বন্ধ করে দেয়।
গুগল, ফেসবুকের মতো প্ল্যাটফর্মের বিজ্ঞাপন ট্র্যাকিং বন্ধ করতে:
গুগল, অ্যামাজন বা ফেসবুকের মতো অ্যাকাউন্টে লগইন করলে প্ল্যাটফর্মগুলো তথ্য ট্র্যাক করে।
অনলাইন শপিংয়ের সময় সাইন আপে ডিসপোজেবল ই-মেইল অ্যাড্রেস ব্যবহার করুন।
যদিও টার্গেটেড অ্যাড পুরোপুরি বন্ধ করা সম্ভব নয়, তবে উপরিউক্ত উপায়গুলো অনুসরণ করলে তা থেকে অনেকাংশে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।