সিরিয়ায় দুটি এলাকায় হামলা চালাল যুক্তরাষ্ট্র। ইরান সেনার আধিপত্য থাকা দুই এলাকায় ড্রোন হামলা করেছে মার্কিন সেনা। মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব লয়েড অস্টিন জানিয়েছেন, গত বেশ কয়েকদিন ধরে মার্কিন নাগরিকদের উপরে হামলা চালিয়েছে ইরান। আত্মরক্ষা করতেই পাল্টা হামলা আমেরিকার। যদিও মার্কিন ড্রোন হামলায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনও জানা যায়নি।
জানা গিয়েছে, শুক্রবার ভোর রাতে সিরিয়ার পূর্বদিকে হামলা করেছে আমেরিকা। তবে ঠিক কোন কোন জায়গায় হামলা হয়েছে, হতাহতের ঘটনা ঘটেছে কিনা- তা নিয়ে বিস্তারিতভাবে কিছুই জানা যায়নি। তবে মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিবের বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, আমেরিকা কোনও রকম সংঘর্ষ চাইছে না। কিন্তু মার্কিন নাগরিকদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করাই প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রধান উদ্দেশ্য। তাই আত্মরক্ষা করতেই এই হামলা চালানো হয়েছে। বাইডেনের নির্দেশেই গোটা ঘটনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন লয়েড।
তার বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গত ১৭ অক্টোবর থেকে ইরান ও সিরিয়ায় বসবাসকারী মার্কিন নাগরিকদের উপরে ইচ্ছাকৃতভাবে হামলা চালানো হয়েছে। তার ফলে মৃত্যু হয়েছে এক মার্কিন নাগরিকের। আহত হয়েছেন ২১ জন। এই ঘটনার পরেই বাইডেন সাফ জানিয়েছেন, মার্কিন নাগরিকদের রক্ষা করতে যেকোনও রকমের পদক্ষেপ নিতে পারে আমেরিকা। তবে কোনও সংঘর্ষ বা হামলা চায় না মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবারই আমেরিকাকে সরাসরি হুমকি দিয়েছিলেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হোসেন আমিরআবদোল্লাহিন। তিনি বলেন, গাজা ভূখণ্ডে ইসরাইল-হামাস দ্বন্দ্ব না থামলে আমেরিকাকে ছেড়ে কথা বলা হবে না। তার পাল্টা জবাব দিয়েছেন বাইডেনও। এই হুমকির পরেই ইরান সেনার আধিপত্য থাকা এলাকায় হামলা চালিয়েছে আমেরিকা। তবে এই হামলা নিয়ে সিরিয়া বা ইরানের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি। সূত্র: রয়টার্স।



















