ঢাকা, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ৫:০৯ অপরাহ্ন

বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইন উদ্বোধন

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রেখেই দুই দেশের উন্নয়নে কাজ করতে চায় সরকার। আর বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী পাইপলাইন দুই দেশের সহযোগিতার উন্নয়নের মাইলফলক।

শনিবার বিকেলে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে আন্তঃদেশীয় জ্বালানি তেল আনতে বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী পাইপলাইনের আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

গণভবন থেকে এ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যুক্ত হয়ে শেখ হাসিনা বলেন, নতুন অধ্যায় রচিত হলো বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের এ মৈত্রী পাইপলাইনের মাধ্যমে। বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী পাইপলাইন দুদেশের সহযোগিতার উন্নয়নের মাইলফলক ও দুদেশের সম্পর্কে নতুন মাইলফলকও।

দুদেশের মধ্যে বিভিন্ন সমস্যা সমাধান করা হয়েছে জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের ফলে বিশ্বের অনেক দেশ যখন জ্বালানি সংকটের মুখোমুখি, তখন জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবে এই পাইপলাইন।

ভারত আমাদের অকৃত্রিম বন্ধু ও ভ্রাতৃপ্রতিম রাষ্ট্র উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মৈত্রী পাইপলাইন দুদেশের সহযোগিতা উন্নয়নে মাইলফলক, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করবে। এ ছাড়া দুদেশের বন্ধুত্ব অটুট থাকবে।

শিলিগুড়ি থেকে দিনাজপুরের পার্বতীপুর পর্যন্ত প্রায় ১৩২ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের পাইপলাইনের পুরোটাই নির্মাণ হয়েছে ভারতের অর্থায়ন ও কারিগরি সহায়তায়। যা দুদেশের সম্পর্কের নতুন মাত্রা হিসেবে দেখছে জ্বালানি বিভাগ।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ভারত থেকে পাইপলাইনে প্রাথমিক অবস্থায় বছরে ২ লাখ টন জ্বালানি পাওয়া যাবে, পরবর্তীকালে যা উন্নীত হবে ১০ লাখ টনে। পূর্ণক্ষমতায় পাইপলাইনটি ব্যবহার হলে পরিবহন ব্যয়বাবদ বছরে প্রায় শতকোটি টাকা সাশ্রয়ের আশা নীতিনির্ধারকদের।

নিউজটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

ট্যাগঃ