ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬, ৯:২২ পূর্বাহ্ন

ভারতীয় চাল এলেও দামে ‘হেরফের নেই’

ভারত থেকে আমদানি করা চাল একসপ্তাহ ধরে বাজারে থাকলেও দরের তেমন হেরফের হয়নি। বিক্রেতারা জানিয়েছেন আমদানির উদ্যোগ নেওয়ার একমাস পার হতে চললেও উন্নতি দেখছেন না তারা।

শুক্রবার কারওয়ান বাজারে একাধিক খুচরা বিক্রেতা জানান, প্রায় এক সপ্তাহ ধরে বিভিন্ন কোম্পানির ভারতীয় মিনিকেট ও আটাশ চাল বাজারে এসেছে। তবে দাম দেশীয় মিলের মতোই। সে কারণে ভারতীয় চালে ক্রেতার আগ্রহ কম।

কারওয়ান বাজার রেললাইন গলিতে কিশোরগঞ্জ রাইস এজেন্সির একজন বিক্রয়কর্মী বলেন, দেশীয় মিনিকেট প্রতি বস্তা তিন হাজার টাকা। আর ভারতীয় মিনিকেট প্রতি বস্তা ২৯০০ টাকা। দামে পার্থক্য খুবই কম। সে কারণে ভারতীয় চাল খুব একটা চলছে না।

গত সপ্তাহের শুরুতে এক চালানে যে চাল এসেছিল তা এখনও রয়েছে বলে জানান এই বিক্রেতা।

কারওয়ান বাজার রেললাইনের পাশের চালের দোকানগুলো প্রশস্ত রাস্তার পাশে হওয়ায় খুচরা ও পাইকারি দুই ধরনের বেচাকেনাই হয় এখানে। শুক্রবার বেশ কয়েকটি মিনি ট্রাকে চাল ওঠানামা দেখা গেলেও সেখানে ছিল না কোনো আমদানি করা চাল। বাজারে এদিন মিনিকেট ৬০ টাকা, নাজির ৬২ টাকা, বিআরআটাশ ৪৬ টাকা, পাইজাম ৪৫ টাকা, স্বর্ণা ৪০ টাকা, জিরা শাইল ৫২ টাকায় প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছিল।

বিক্রেতা নজরুল ইসলাম বলেন, সত্যি কথা বলতে কি ভারতীয় মিনিকেট চালের ২৫ কেজির এক বস্তা চাল কেনা পড়ছে ১৪৩০ টাকা, দোকানে তুলতে গিয়ে খরচ পড়ে যাচ্ছে আরও ২০ টাকা। এই চাল ১৫০০ টাকায় না বিক্রি করলে খরচ পোষাচ্ছে না।

এদিকে চালের বাজারে কোনো সুখবর না থাকলেও শাক-সবজির বাজারে সময়ের সবচেয়ে সুলভ মূল্য বিরাজ করছে বলে ক্রেতা-বিক্রেতাদের দাবি।

নিউজটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

ট্যাগঃ