৩৭ বছর বয়সে এসেও একের পর এক রেকর্ড ভেঙে নতুন ইতিহাস রচনা করে যাচ্ছেন পর্তুগিজ তারকা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। আন্তর্জাতিক ফুটবলে সর্বোচ্চ গোলদাতা তিনি।
২০২১-২২ প্রিমিয়ার লিগ মৌসুমে টটেনহ্যামের বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করার পর ফুটবলের ইতিহাসেও সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড গড়েছেন তিনি।
ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করা একটি ভিডিওতে তিনি দাবি করেছেন, তিনি রেকর্ডের পেছনে দৌড়ান না, রেকর্ডই তাকে অনুসরণ করে। স্বাভাবিক নিয়মেই রেকর্ড চলে আসে। আমি তাকে অনুসরণ করি না।
বিশ্ব ফুটবলের সব রেকর্ড রোনলদো আর লিওনেল মেসি নিজেদের মধ্যেই যেন ভাগাভাগি করে নেওয়ার পণ করেছেন। ক্লাব ফুটবলে মেসির দাপট বেশি আর আন্তর্জাতিক ফুটবলে রোনালদোর।
পাঁচবারের ব্যালন ডি’অর জয়ী সবচেয়ে বেশি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন, সবচেয়ে বেশি আন্তর্জাতিক গোলও তার। সদ্য শেষ হওয়া মৌসুমে পেশাদার ফুটবলে সবচেয়ে বেশি গোলের রেকর্ডটাও হয়ে গেছে।

৩৭ বছর বয়সেও আগের মতোই গোলক্ষুধা রয়েছে রোনালদোর। সদ্য শেষ হওয়া মৌসুমে নিজের প্রিয় ক্লাব ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে ফিরেছেন, সব প্রতিযোগিতা মিলে করেছেন ২৪ গোল।
কিন্তু এতেও ইউনাইটেড ২০১৭ সালের পর থেকে শিরোপা খরা থেকে বেরিয়ে আসতে পারেনি। আগামী মৌসুমে ইউরোপা লিগে খেলতে হবে ইউনাইটেডকে।
ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে থেকে গেলে ক্যারিয়ারে এই প্রথম চ্যাম্পিয়নস লিগ খেলা হবে না রোনালদোর। তবু ক্লাব ছাড়তে চান না এই পর্তুগিজ সুপারস্টার।
নতুন কোচ এরিক টেন হাগ তাকে রাখতে চান কি না, তার উত্তরে কোচ জানিয়েছেন, এমন কিংবদন্তীর সাথে কাজ করার অপেক্ষায় আছেন। আগামী মৌসুমে নতুন কোচের সাথে কাজ করতে রোনালদোও যে মুখিয়ে আছেন, সেটা জানিয়েছেন ইউনাইটেডের নিজস্ব অনুষ্ঠান ‘প্লেয়ারস ডায়েরি’তে। সেখানেই রেকর্ড নিয়ে নিজের গর্বটা এভাবে প্রকাশ করেছেন রোনালদো, ‘রেকর্ড স্বাভাবিকভাবে আসে। আমি রেকর্ডের পেছনে ছুটি না, রেকর্ড আমার পেছনে ছোটে। এটা ভালো।’
এসময় তিনি আরো জানিয়েছেন, ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে তিনি যথেষ্ঠ ভাল আছেন। এ সম্পর্কে তিনি বলেন, অবশ্যই এখানে ফিরে আসতে পেরে আমি দারুণ খুশি। এই ক্লাবে খেলার মাধ্যমে আমার ক্যারিয়ারের উন্নতি হয়েছে। আর সে কারণেই এখানে পুনরায় খেলতে আসার অনুভূতিটা ছিল অবিশ্বাস্য। সমর্থকদের সাথে সম্পর্কটাও দারুণ।’


















