পাকিস্তান ক্রিকেট দলকে তো আর এমনি এমনি ‘আনপ্রেডিক্টেবল’ বলা হয় না। প্রথম ম্যাচে যে দল ৩০০ এর বেশি রানের জয়ের লক্ষ্যে ২২৫ রানেই থেমেছিল, সে দল সিরিজ বাঁচানোর লড়াইয়ে প্রায় সাড়ে তিনশ রানের লক্ষ্য যেন টপকে গেল নিমিষেই। এ জন্যই বোধহয় পাকিস্তান দলের সাথে ‘আনপ্রেডিক্টেবল’ তকমা শোভা পায়। গতকাল (৩১ মার্চ) সফরকারী অস্ট্রেলিয়ার দেওয়া ৩৪৯ রানের লক্ষ্যকে হাতের মোয়া বানিয়ে দলকে রেকর্ড গড়া জয় উপহার দিয়েছেন ইমাম-উল-হক ও বাবর আজম। এ জয়ে ৩ ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজে প্রথমটিতে হেরে গেলেও ১-১ সমতা এনেছে পাকিস্তান।
লাহোরে প্রথম ম্যাচের মতো গতকালও টসে জিতে ফিল্ডিং নিয়েছিল পাকিস্তান। আগের ম্যাচের চেয়ে ব্যাট হাতে বেশি চড়াও হন অজি ব্যাটাররা। বেন ম্যাকডারমটের শতক, ট্রাভিস হেড, মারনাস লাবুশেন, মার্কাস স্টয়নিসে ভর করে ৩৪৮ রান তুলে রেকর্ড গড়ে সফরকারীরা। পাকিস্তানের মাটিতে অজিদের ওয়ানডেতে এটিই সর্বোচ্চ রানের স্কোর।
এ বাধা টপকাতে হতে পাকিস্তানকেও ছুঁতে হতো রেকর্ড। সে রেকর্ড করেই জিতল তারা। গতকালের ম্যাচের আগে ২০১৪ সালে বাংলাদেশের বিপক্ষে ৩২৭ রানের লক্ষ্যে জেতা ম্যাচ ছিল ওয়ানডেতে পাকিস্তানের সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয়ের রেকর্ড।
সে রকর্ড ভেঙে গতকাল নিজেদের মাটিতে নতুন রেকর্ড গড়ল বাবর আজমের দল। ৩৪৯ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ইমাম ও বাবরের শতকে ভর করে ৬ বল হাতে রেখে ৬ উইকেটের জয় তুলে নেয় স্বাগতিকেরা। এটিই এখন পাকিস্তানের ৫০ ওভারের ক্রিকেটে সবচেয়ে বেশি রান তাড়া করে জেতার রেকর্ড।
দলের রেকর্ড গড়ার পথে ব্যক্তিগত রেকর্ডও গড়েছেন ম্যাচের নায়ক ও পাকিস্তান দলপতি বাবর। গতকালের শতক ছিল ওয়ানডে ক্রিকেটে বাবর আজমের ১৫তম সেঞ্চুরি। আর এতে রীতিমত রেকর্ড গড়েছেন তিনি। বাবর ওডিআই ক্রিকেটে সবচেয়ে দ্রুত ১৫ টি শতক হাঁকালেন। বাবরের ১৫ টি শতক করতে খেলতে হয়েছে মাত্র ৮৩ ইনিংস। এ রেকর্ড গড়ার পথে তিনি পেছনে ফেলেছেন হাশিম আমল (৮৬ ইনিংস), বিরাট কোহলিকে (১০৬ ইনিংস) ।



















