ঢাকা, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬, ২:৪৭ অপরাহ্ন

জয় বাংলা, জয় বাংলাদেশ’ গানে বাংলাদেশ মাতালেন এ আর রহমান

অস্কারজয়ী সঙ্গীতশিল্পী এ আর রহমানের সুরের ছন্দে মাতোয়ারা হওয়ার অপেক্ষায় যখন দর্শকরা, তখন বেরসিক বৃষ্টি এসে যেন ছন্দ হারা করে দেয়। একটু ভোগান্তি আর সময়ক্ষেপণ ছাড়া একেবারে ছন্দহীন করতে পারেনি এই বৃষ্টি। দেড় ঘণ্টা সময় ছিনিয়ে নিয়ে বৃষ্টি থেমে যায়, দর্শক সারি হতে শুরু করে শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের দর্শক স্রোতা যেন সুরের জাদুকরের তালে হারিয়ে যান।

‘জয় হো’ দিয়ে শুরু করেন এ আর রহমান। মাঝে কালজয়ী কিছু গানসহ মঞ্চ মাতান কাওয়ালি গানে। তখনো অপেক্ষা তার কণ্ঠে বাংলা গান শোনার। যেটি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) নিজ উদ্যোগে বানিয়েছিল ‘ক্রিকেট সেলিব্রেটস মুজিব হান্ড্রেড’ কনসার্টে গাওয়ার জন্য। দর্শকদের আসনে থাকা শ্রোতাদের জিজ্ঞাসা বাড়তে থাকে, কখন গাওয়া হবে বাংলা গান? অবশেষে রাত সাড়ে ১১টার দিকে আসে সেই মহেন্দ্রক্ষণ।

জুলফিকার রাসেলের লেখা ‘জয় বাংলা, জয় বাংলাদেশ’ গানটি গাওয়ার আগে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি শদ্ধা জ্ঞাপণ করেন এ আর রহমান। এ ছাড়া শেখ হাসিনা, শেখ রেহানা, বিসিবি ও বিসিবি প্রেসিডেন্টের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। জয় বাংলা স্লোগানে কাঁপিয়ে তোলেন শের-ই-বাংলা। এ আর রহমান যখন কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছিলেন, তখন প্রেসিডেন্ট বক্সে থাকা প্রধানমন্ত্রী দাঁড়িয়ে যান। সঙ্গে ছিলেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনও। বাংলায় গাওয়া গানটি গেয়ে পুরো স্টেডিয়ামে থাকা দর্শকদের আবেগে ভাসান বিখ্যাত এই শিল্পী। মুগ্ধ প্রধানমন্ত্রী পুরো গান দাঁড়িয়ে থেকে শুধু শোনেননি, ভিডিও করে রাখেন মুঠোফোনে।

এরপর ‘বলো জয় বঙ্গবন্ধু, বলো জয় বাংলা’- গান গেয়ে মাতিয়ে রাখেন দর্শকদের। অবশ্য এই গানটির সময় বসে পড়েন প্রধানমন্ত্রী। তবে মুঠোফোনে ভিডিও করতে ভুলেননি এটিও।

মঙ্গলবার (২৯ মার্চ) বিকেলে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনার মাধ্যমে শুরু হয় বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এই কনসার্ট। এরপর শুরু হয় জনপ্রিয় ব্যান্ড মাইলসের পারফর্ম্যান্স। শের-ই-বাংলা মাতিয়ে মাইলস থামার পর আসেন মমতাজ বেগম। দুই কন্যাসহ তিনি সন্ধ্যা পর্যন্ত পারফর্ম করেন। মাগরিবের নামাজের বিরতির মাঝেই হানা দেয় বৃষ্টি। বৃষ্টি থামার পর মমতাজ মঞ্চে উঠে যেন দর্শকদের জাগিয়ে তোলেন।

নিউজটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

ট্যাগঃ