ঢাকা, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬, ১:৫৩ অপরাহ্ন

জানুয়ারিতে রেমিট্যান্স বেড়েছে

নতুন বছরে ইতিবাচক ধারায় রেমিট্যান্স আয়। বছরের শুরু জানুয়ারিতে আগের মাসের চেয়ে রেমিট্যান্স আয় বেড়েছে। এ নিয়ে চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরের গত দুই মাস ধরে ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে রেমিট্যান্স আয়ের প্রবাহ। অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাস আয়ের প্রবাহ কম ছিল।

মঙ্গলবার (১ ফেব্রুয়ারি) কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ১৭০ কোটি ৪৪ লাখ মার্কিন ডলার। গত ডিসেম্বর মাসে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৬২ কোটি ৯০ লাখ ডলার। মাসের ব্যবধানে রেমিট্যান্স আয় বেড়েছে ৭ কোটি ৫৪ লাখ ডলার।

২০২১-২২ অর্থবছরের প্রথম ৭ মাসের রেমিট্যান্সের মধ্যে জুলাইয়ে এসেছে ১৮৭ কোটি ১৪ লাখ ডলার, আগস্টে ১৮১ কোটি, সেপ্টেম্বর মাসে ১৭২ কোটি ৬৭ লাখ, অক্টোবরে ১৬৪ কোটি ৬৮ লাখ, নভেম্বর ১৫৫ কোটি ৩৭ লাখ এবং ডিসেম্বরে ১৬২ কোটি ৯০ লাখ এবং জানুয়ারিতে ১৭০ কোটি ৪৪ লাখ ডলার।

আগের অর্থবছরের জুলাই মাসে ২৫৯ কোটি ৮২ লাখ ডলার, আগস্টে ১৯৬ কোটি ৩৯ লাখ, সেপ্টেম্বরে ২১৫ কোটি ১০ লাখ, অক্টোবরে ২১০ কোটি ২১ লাখ, নভেম্বরে ২০৭ কোটি ৮৭ লাখ, ডিসেম্বরে রেমিট্যান্স এসেছিল ২০৫ কোটি এবং জানুয়ারিতে ১৯৬ কোটি ১৯ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে।

ব্যাংকারদের সঙ্গে আলাপকালে তারা জানান, আগে প্রবাসীদের বৈধ পথে পাঠানো রেমিট্যান্সের ওপর প্রণোদনা ছিল ২ শতাংশ। অর্থাৎ ১০০ টাকা পাঠালে ২ টাকা প্রণোদনা দেওয়া হতো। চলতি বছরের শুরুতে এ প্রণোদনা ২ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে আড়াই শতাংশ করা হয়েছে। এতে প্রবাসীরা বৈধ পথে অর্থ পাঠাতে উৎসাহ পেয়েছে। ফলে রেমিট্যান্স আয় বেড়েছে।

তাছাড়া করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার সময় প্রবাসীরা বেশ আয় করেন। এখন সারা বিশ্বের ফের করোনা সংক্রমণ বেড়েছে। ফলে প্রবাসীরা এক ধরনের অনিশ্চয়তা থেকে অনেকে জমানো টাকা দেশে পাঠিয়েছেন। তাই রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ছে বলে মনে করছেন তারা।

গত বছর সারাবিশ্বে করোনা মহামারীর মধ্যে প্রবাসীরা কেউ চাকরি হারিয়ে কিংবা ব্যবসা বন্ধ করে সব অর্থ পাঠিয়ে দিয়ে অনেকেই দেশে চলে আসেন। করোনা মহামারীর সময় অবৈধ চ্যানেলগুলো বন্ধ ছিল বলে বাধ্য হয়ে ব্যাংকিং চ্যানেলে অর্থ পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। ফলে গত অর্থবছরে রেমিট্যান্স আয় রেকর্ড সৃষ্টি করেছিল।

উল্লেখ্য, ২০২০-২১ অর্থবছরে অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে রেমিট্যান্স আহরণ হয়েছিল ২ হাজার ৪৭৮ কোটি ডলার। যা আগের অর্থবছরের চেয়ে ৩৬ দশমিক ১০ শতাংশ বেশি। ২০১৯-২০ অর্থবছর প্রবাসীরা রেমিট্যান্স পাঠিয়েছিলেন ১ হাজার ৮২০ কোটি ডলার।

নিউজটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

ট্যাগঃ