রাজধানীর ৫০টি থানায় এবার চালু হচ্ছে সাইবার বিভাগ। সকল সাইবার অপরাধ সংক্রান্ত মামলা দায়ের করতেই চালু হচ্ছে পৃথক সাইবার বিভাগ। পর্যায়ক্রমে দেশের প্রতিটি থানায় সাইবার বিভাগ চালু করা হবে
পৃথকভাবে চালু হওয়া সাইবার বিভাগে শুধু সাইবারকেন্দ্রিক অপরাধের ঘটনায় মামলা দায়ের করা যাবে। মামলাগুলো তদন্তসহ আনুষঙ্গিক কার্যক্রম চালাতে প্রতিটি থানায় প্রযুক্তি বিষয়ে পারদর্শী দুজন করে কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। মামলাগুলো ঢাকা মহানগর পুলিশের সাইবার বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় করে তদন্ত করা হবে। প্রয়োজনে সহায়তা নেওয়া হবে অন্যান্য সংস্থার সাইবার বিভাগেরও।
সিআইডির সাইবার বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, গুজব ছড়ানোর দায়ে এখন পর্যন্ত ১১২টি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট শনাক্ত হয়েছে। অ্যাকাউন্টগুলো পরিচালিত হচ্ছে অস্ট্রেলিয়া, মালয়েশিয়া, যুক্তরাজ্য, লিবিয়া ও সৌদি আবর থেকে। পরিচালনার সঙ্গে ৬০ জনের জড়িত থাকার প্রমাণ মিলেছে। তাদের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের মাধ্যমে রেডওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছে।
এসব বিষয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিক পর্যায়ে ঢাকার যে কোনো জায়গায় যদি একটি সাইবার থানা স্থাপন করা হয়, সেটি হবে হঠকারী সিদ্ধান্ত। কারণ অন্যান্য এলাকার ভুক্তভোগীর মামলা দায়ের করতে সেই থানায় যেতে হবে। ঢাকা যেহেতু আয়তনের দিক থেকে অনেক বড়, সেজন্য ভুক্তভোগীদের দুর্ভোগ বাড়বে। এ ছাড়া বাড়তি যানজট অর্থ খরচ ও সময় অপচয়সহ নানা বিষয়াদি আছে। এজন্যই সর্বসম্মতিক্রমে এমন সিদ্ধান্তই হয়েছে। সাইবারকেন্দ্রিক অপরাধের মাত্রা যেহেতু বাড়ছে, এজন্য আমরাও মামলার তদন্ত কার্যক্রমে পরিধি বাড়ানোর জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করেছি।



















