উড়োজাহাজ শিল্পে টেকসই জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে এ খাতের প্রায় ৬০টি প্রতিষ্ঠান ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই জ্বালানির ব্যবহার ১০ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নিয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে ২০৫০ সালের মধ্যে কার্বন নিঃসরণ শূন্যে নামাতে প্যারিস চুক্তির লক্ষ্যে পৌঁছাতে এ প্রতিশ্রুতি সহায়তা করবে।
শিপিং, এভিয়েশন ও স্টিলের মতো ভারী শিল্প খাতগুলো বৈশ্বিক কার্বন নিঃসরণের এক-চতুর্থাংশেরও বেশি দায়ী। এভিয়েশন খাতে গ্রিনহাউজ গ্যাস নিঃসরণ কমানো বৈশ্বিক নীতিনির্ধারকদের জন্য একটি অব্যাহত চ্যালেঞ্জ।
এয়ারলাইনস, বিমানবন্দর ও করপোরেট ভ্রমণের ওপর নির্ভরশীল এ সংস্থাগুলো জীবাশ্ম জ্বালানির পরিবর্তে স্বল্প কার্বন নিঃসরণ বিকল্প জ্বালানি গ্রহণকে ত্বরান্বিত করার পরিকল্পনা করেছে।
প্রতিশ্রুতিতে স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে অন্যতম ব্রিটিশ এয়ারওয়েজের চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী শন ডোয়েল বলেন, উড়োজাহাজের টেকসই জ্বালানির উন্নয়ন ও বাণিজ্যিকীকরণ এভিয়েশন শিল্পের কার্বন নিঃসরণ শূন্যে নামানোর জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
শেল, এয়ারবাস, ব্যাংক অব আমেরিকা, বোয়িং, আমেরিকান এয়ারলাইনস, হিথরো বিমানবন্দর, ইবেরিয়া, টোটাল এনার্জিস ও ভিসাসহ ৬০টি প্রতিষ্ঠান টেকসই জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর অঙ্গীকারে স্বাক্ষর করেছে।



















